সোমবার, অক্টোবর ৫, ২০২৬
২০ আশ্বিন ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> ‘ঘুষ খাওয়ার জন্যই পোশাক পরেছি’—এএসআইয়ের বক্তব্যের ভিডিও ভাইরাল

>> ‘না পারলে বলে দিন, আমরা পারছি না’—সরকারকে গোলাম পরওয়ার

>> শেখ হাসিনাকে ফেরাতে সেনাবাহিনীতে প্রস্তুতি

>> কুষ্টিয়ায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলার অভিযোগ, বিএনপিকে দায়ী করলেন নাহিদ ইসলাম

>> রেমিট্যান্সের বড় উৎস মধ্যপ্রাচ্য, তবু আরবি ভাষা প্রশিক্ষণে অবহেলা কেন?

>> এলপিজির দাম এক লাফে বাড়ল ২৫২ টাকা, ১২ কেজির সিলিন্ডার ১,৮৩৭ টাকা

>> আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রীসেবার এই হাল কেন?

>> সাতক্ষীরায় মাদক ব্যবসার অভিযোগে দুই বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর, আটক ২

>> ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণে মেয়রপ্রার্থী হিসেবে সেলিম উদ্দিন ও সাদিক কায়েমের নাম জানাল জামায়াত

>> ডাববোঝাই নছিমন অতিক্রম করতে গিয়ে সংঘর্ষ, প্রাণ গেল তিন মোটরসাইকেল আরোহীর

আপনি পড়ছেন : জামালপুর

সহপাঠীর বাবার বিরুদ্ধে শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগ, ঘরের মেঝেতে মরদেহ পুঁতে রাখার দাবি


Rabeya ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বিকাল ৩:২৪



সহপাঠীর বাবার বিরুদ্ধে শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগ, ঘরের মেঝেতে মরদেহ পুঁতে রাখার দাবি


জামালপুরের মাদারগঞ্জে সাত বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। পরে মরদেহ ঘরের মেঝেতে গর্ত করে মাটিচাপা দেওয়ার দাবি করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানিয়েছে, নিহত শিশুটি স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। অভিযুক্ত জামিনুর ইসলাম (৩২) ওই বিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর বাবা। বৃহস্পতিবার বিদ্যালয়ে যাওয়ার পর শিশুটি নিখোঁজ হয়। পরে শনিবার রাতে জামিনুরের বসতঘরের মেঝে খুঁড়ে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

মাদারগঞ্জ থানায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জামালপুরের সহকারী পুলিশ সুপার (মাদারগঞ্জ সার্কেল) মোস্তাফিজুর রহমান জানান, আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে জামিনুর ঘটনার বিষয়ে স্বীকারোক্তিমূলক বক্তব্য দিয়েছেন বলে পুলিশ দাবি করছে।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার জামিনুরের মেয়ের সঙ্গে দেখা করতে শিশুটি তাদের বাড়িতে যায়। সে সময় জামিনুরের স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে তাঁর বোনের বাড়িতে ছিলেন। বাড়িতে অন্য কেউ না থাকার সুযোগে শিশুটির ওপর যৌন নির্যাতন চালানো হয় বলে অভিযোগ। এরপর তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে মরদেহ ঘরের মেঝেতে গর্ত করে পুঁতে রাখা হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে।

ঘটনার পর জামিনুর ও তাঁর স্ত্রী সবুজা (২৫)কে গ্রেপ্তার করা হয়। নিহত শিশুটির বাবা বাদী হয়ে থানায় মামলা করেছেন। পরে আদালতের মাধ্যমে দুজনকেই কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

নিহত শিশুটির পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে।