সোমবার, অক্টোবর ১২, ২০২৬
২৭ আশ্বিন ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> রবীন্দ্রনাথ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বিতর্কে জামায়াতকে ঘিরে রাশেদ খাঁনের অভিযোগ

>> পাঁচ ধাপে ইউপি নির্বাচন, ভোট শুরু ২১ জানুয়ারি

>> জি এম কাদেরের বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ, গ্রেপ্তারের দাবি

>> পরকীয়ার অভিযোগে প্রবাসীর স্ত্রীকে গাছে বেঁধে নির্যাতন, চুল কেটে দেওয়ার অভিযোগ

>> ফরিদপুরে বরাদ্দের অর্ধেক সার অন্যত্র বিক্রি, ডিলারকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা

>> মুক্তিযোদ্ধাকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ, বিএনপি নেতার বহিষ্কারের দাবিতে মানববন্ধন

>> রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতি মোছার চেষ্টা: আয়াসসহ ৪ জনের ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন

>> আলমডাঙ্গায় নিষিদ্ধ ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ জব্দ, জরিমানা ১৩ হাজার টাকা

>> জুয়েল হত্যাচেষ্টা মামলা: সাবেক এমপি নূর মোহাম্মদকে ফের গ্রেপ্তার দেখাল আদালত

>> নভেম্বরের শেষ দিকে রূপপুরে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরুর আশা

আপনি পড়ছেন : বিনোদন

‘গুলুগুলুর কাছে চিঠি’: হারিয়ে যাওয়া ভালোবাসাকে ফিরে পাওয়ার আকুতি


২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সকাল ১০:৪৬



‘গুলুগুলুর কাছে চিঠি’: হারিয়ে যাওয়া ভালোবাসাকে ফিরে পাওয়ার আকুতি


একসময় মেসেঞ্জারের ছোট ছোট বার্তায় ছন্দ মিলিয়ে কবিতা তৈরি হতো দুজনের। বন্ধুত্ব থেকে ধীরে ধীরে সেই সম্পর্ক গড়ায় ভালোবাসায়। পুরোনো সেই দিনগুলোর স্মৃতি মনে করে ‘গুলুগুলু’ নামে প্রিয় মানুষটির কাছে আবেগঘন চিঠি লিখেছেন ‘ডোডোনাডো’।

প্রিয় গুলুগুলু,

মনে আছে কি, আমরা কীভাবে টেক্সট মেসেজে একের পর এক লাইন মিলিয়ে কবিতা লিখতাম? কাপ্তাই থেকে পড়াশোনা শেষ করে বাড়িতে ফেরার পর জীবনটা যেন হঠাৎই রঙ হারিয়ে ফেলেছিল। চারপাশে থেকেও নিজেকে কেমন একা মনে হতো। ঠিক সেই সময় মেসেঞ্জারের একটি ছোট্ট বার্তার মাধ্যমে তুমি আমার জীবনে এসে উপস্থিত হলে।

তখন তুমি ছিলে আমার সবচেয়ে কাছের, বরং একমাত্র বন্ধু। সুযোগ পেলেই দুজন মিলে ঘুরতে বের হতাম। কখনো রাত জেগে গল্প করেছি, কখনো ছন্দ মিলিয়ে কবিতা লিখেছি। আর অজান্তেই মনের ভেতর ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা স্বপ্ন বুনেছি।

মনে আছে, প্রথমবার একসঙ্গে কোণ আইসক্রিম খাওয়ার সেই সন্ধ্যার কথা? কিংবা পিচঢালা রাস্তায় চাঁদের আলোয় পাশাপাশি হাঁটার মুহূর্তগুলো? আজও সেই স্মৃতিগুলো মনে পড়লে হারিয়ে যাই পুরোনো দিনগুলোর ভেতর।

আমার জীবনের সবচেয়ে আনন্দের স্মৃতিগুলোর একটি হলো সেই দিন, যেদিন ল্যাম্পপোস্টের আলোয় প্রথম তোমাকে দেখেছিলাম। তোমার দেওয়া প্রথম জন্মদিনের উপহারটিও এখনো যত্ন করে রেখে দিয়েছি।

তুমি আমার একঘেয়ে, সাদা-কালো জীবনকে নতুন রঙে সাজিয়েছিলে। শুধু ভালোবাসাই নয়, বাস্তব জীবনকেও বুঝতে শিখিয়েছিলে। তোমার কারণে আমি অনেকটা পরিণত হয়েছি। কখন যে তোমার মায়ায় জড়িয়ে পড়েছি, কখন বন্ধুত্বের সীমা পেরিয়ে ভালোবাসায় পৌঁছে গেছি—তার হিসাব আজও জানা নেই।

২৬ জুলাই ছিল আমাদের সম্পর্কের জীবনের একটি বিশেষ দিন। পরিচয় থেকে পরিণয়ের পথে যাত্রার সেই দিনটিকে আমি জীবনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ উপহার হিসেবে মনে করি। সেদিন তোমাকে কষ্ট না দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিলাম। কিন্তু সব প্রতিশ্রুতি ধরে রাখা সম্ভব হয়নি। হয়তো সময় ও পরিস্থিতি আমাদের পক্ষে ছিল না।

আজও তোমার সঙ্গে কাটানো হাসি-আনন্দে ভরা দিনগুলো খুব মনে পড়ে। কতদিন তোমার হাতের রান্না করা নুডলস খাওয়া হয়নি!

আমি সেই প্রিয়াংকাকে আবার ফিরে পেতে চাই—যার ব্যক্তিত্ব আমাকে মুগ্ধ করেছিল, যার চোখের দৃষ্টিতে আমি হারিয়ে যেতাম। আমি আমার সেই ‘গুলুগুলু’কে ফিরে চাই।

একই সঙ্গে চাই, আমার ভেতরের সেই ‘ডোডোনাডো’কেও তুমি ফিরিয়ে দাও। নিজের সঙ্গে লড়াই করতে করতে আমি ক্লান্ত। ভালোবাসার সেই পরিচিত উষ্ণতা দিয়ে কি আবার আমার এই ক্লান্তি দূর করতে পারবে?

তোমার উত্তরের অপেক্ষায় কয়েকটি প্রশ্ন রেখে গেলাম।

ইতি,
তোমার ডোডোনাডো