শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২৬
১০ আশ্বিন ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> দ্বিতীয় স্ত্রীকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় এমপি গাজী নজরুল আবারও রিমান্ডে

>> রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে ফেসবুকে কটূক্তির অভিযোগ, শিক্ষকসহ দুজন অব্যাহতি

>> বাসে ৫ থেকে ১০ টাকা বাড়তি ভাড়া আদায়ের অভিযোগ

>> বারিধারায় গাড়িচাপায় নির্মাণশ্রমিক নিহত, কিশোরকে শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানোর আদেশ

>> সাভারে বাসে অগ্নিসংযোগ: বাসমালিক, সাংবাদিকসহ ৪০ জনের নামে মামলা

>> সাভারে বাসে অগ্নিসংযোগ: বাসমালিক, সাংবাদিকসহ ৪০ জনের নামে মামলা

>> ভারত থেকে ইলিশ আমদানি বন্ধ, ১০৩ প্রতিষ্ঠানের অনাপত্তিপত্র বাতিল

>> ফুটবলে অরুচি না ধরলেও অন্য খেলায় মন মজেছে কেইনের

>> যেখানেই এনসিপিকে পাওয়া যাবে, সেখানেই লাঠিপেটা দেওয়া হবে: সিলেটে বিএনপি নেতা

>> তেলের দাম আবার ১০০ ডলারের ওপরে, কোন দিকে যাচ্ছে বাজার

আপনি পড়ছেন : চাঁপাইনবাবগঞ্জ

ঘরে রক্তাক্ত স্ত্রীর মরদেহ, ফ্যানের হুকে ঝুলছিল স্বামী


Rabeya ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, দুপুর ১২:২৫



ঘরে রক্তাক্ত স্ত্রীর মরদেহ, ফ্যানের হুকে ঝুলছিল স্বামী


চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে স্ত্রীকে ধারালো হাসুয়া দিয়ে কুপিয়ে হত্যার পর গলায় ফাঁস দিয়ে এক বৃদ্ধ আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ। শুক্রবার বিকেলে উপজেলার নয়ালাভাঙ্গা ইউনিয়নের রসিকনগর-বাবুপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত নারী মনোয়ারা বেগম (৬০) এবং তাঁর স্বামী মফিজুল হক (৭৫)। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে মফিজুল হক মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন এবং তাঁর চিকিৎসাও চলছিল।

পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, শুক্রবার বিকেলে পারিবারিক বিষয় নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে মফিজুল হক ধারালো হাসুয়া দিয়ে স্ত্রী মনোয়ারা বেগমকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করেন। পরে তিনি ঘরের ফ্যান ঝোলানোর হুকের সঙ্গে ফাঁস নেন।

ঘটনার কিছু সময় পর মফিজুল হকের পুত্রবধূ শাপলা বেগম দাওয়াত শেষে বাড়িতে ফিরে ঘরের দরজা বন্ধ দেখতে পান। পরে জানালা দিয়ে ভেতরে তাকিয়ে তিনি মনোয়ারা বেগমকে রক্তাক্ত অবস্থায় মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখেন।

শাপলা বিষয়টি স্থানীয়দের জানালে তাঁরা ঘটনাস্থলে এসে দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করেন। এ সময় মনোয়ারা বেগমকে মৃত এবং মফিজুল হককে ফ্যানের হুকের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দুজনের মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ দুটি চাঁপাইনবাবগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

মফিজুল হকের দুই জামাতা রফিকুল ইসলাম ও ইউসুফ আলী জানান, তিনি দীর্ঘদিন ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন এবং চিকিৎসাধীন ছিলেন। পরিবারের পক্ষ থেকে এ ঘটনায় কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ বা মামলা করার ইচ্ছা নেই বলেও জানান তাঁরা।

শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মতিউর রহমান জানান, মফিজুল হকের মৃত্যুর ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। আর মনোয়ারা বেগমের মৃত্যুর ঘটনায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।

পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তসহ তদন্তের পর ঘটনাটির বিস্তারিত কারণ সম্পর্কে আরও নিশ্চিত হওয়া যাবে।