বুধবার, সেপ্টেম্বর ৯, ২০২৬
২৫ ভাদ্র ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন চালকবিহীন সাবমেরিন জব্দের দাবি ইরানের

>> জমিতে ছিটানো কীটনাশকের বিষক্রিয়ায় অসুস্থ হয়েছিল শিক্ষার্থীরা

>> ফেরেশতাদের সৃষ্টি কেন ও কীভাবে?

>> হাজতখানায় কেক কাটার অভিযোগ অস্বীকার জিয়াউল আহসানের আইনজীবীর, ‘মিডিয়া ট্রায়ালের’ অভিযোগ

>> মাদকবিরোধী অভিযানে গিয়ে মাদকসহ দুই পুলিশ সদস্য গ্রেপ্তার

>> সুগন্ধি চাল রপ্তানির কোটা ৫০ শতাংশ কমাল সরকার

>> প্রকাশ্যে অস্ত্র প্রদর্শন, সীতাকুণ্ডে তিনজন গ্রেপ্তার; উদ্ধার হয়নি ব্যবহৃত অস্ত্র

>> সরকারি অফিসে যাতায়াত কমলেই দুর্নীতি কমবে: অর্থমন্ত্রী

>> ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, চিকিৎসককে হত্যার হুমকি

>> জার্মান সরকারের সম্মাননা পেলেন বাংলাদেশের শাকিল সৈয়দ

আপনি পড়ছেন : রাজনীতি

প্রতারণা মামলায় সাহেদের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন, অন্য মামলায় থাকছেন কারাগারেই


Rabeya ৩০ জুলাই ২০২৬, রাত ৯:৩৫



প্রতারণা মামলায় সাহেদের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন, অন্য মামলায় থাকছেন কারাগারেই

রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মো সাহেদ করিমকে এক কোটি টাকার নির্মাণসামগ্রী সরবরাহের অর্থ পরিশোধ না করার অভিযোগে দায়ের করা প্রতারণার মামলায় অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দিয়েছেন আদালত। তবে তাঁর বিরুদ্ধে আরও একাধিক মামলা থাকায় আপাতত কারামুক্ত হওয়ার সুযোগ নেই।

বৃহস্পতিবার ঢাকার একটি মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত শুনানি শেষে ৫ হাজার টাকা মুচলেকায় ১০ দিনের জন্য তাঁর জামিন মঞ্জুর করেন।

আসামিপক্ষের আইনজীবীর দাবি, মামলার বাদীপক্ষের সঙ্গে আপসের শর্তে আদালত এই জামিন দিয়েছেন। তিনি আরও জানান, মামলাটিতে ওই দিনই সাহেদকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে এবং এর আগে তাঁরা এ মামলার বিষয়ে অবগত ছিলেন না।

আদালত মামলার পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ৮ সেপ্টেম্বর দিন নির্ধারণ করেছেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০১৮ সাল থেকে একটি নির্মাণসামগ্রী সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন সময়ে সাহেদের কাছে পণ্য সরবরাহ করে। শুরুতে কিছু অর্থ পরিশোধ করা হলেও পরবর্তীতে বাকি অর্থের জন্য দেওয়া চারটি চেক, যার মোট মূল্য ছিল এক কোটি টাকা, ব্যাংকে জমা দিলে পর্যাপ্ত অর্থ না থাকায় সেগুলো ফেরত আসে।

বাদীর অভিযোগ, পাওনা টাকা বারবার চাওয়ার পরও অর্থ পরিশোধ করা হয়নি। পরে টাকা দাবি করলে নানা অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করা হয় এবং একপর্যায়ে অর্থ দিতে অস্বীকৃতি জানানো হয়। এমনকি প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে থানায় সাধারণ ডায়েরিও (জিডি) করা হয়েছিল।

এই অভিযোগের ভিত্তিতে ২০২০ সালের ১৩ জুলাই ঢাকার আদালতে প্রতারণার মামলা দায়ের করা হয়।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের ২০ জুলাই রাজধানীর ইসিবি চত্বর এলাকা থেকে পৃথক একটি চেক ডিজঅনার মামলায় জারি হওয়া গ্রেপ্তারি পরোয়ানার ভিত্তিতে সাহেদকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, তাঁর বিরুদ্ধে ৩০টিরও বেশি মামলা বিচারাধীন রয়েছে।