রবিবার, নভেম্বর ৮, ২০২৬
২৪ কার্তিক ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> বেতন বৃদ্ধির দাবিতে গাজীপুরে শ্রমিকদের বিক্ষোভ, ছুটি ঘোষণা ৭ কারখানায়

>> পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে ছাত্রলীগ নেতাকে ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

>> শেখ হাসিনাকে ফেরাতে আবেগ নয়, আইনি প্রক্রিয়ায় এগোবে সরকার: আইনমন্ত্রী

>> সাক্ষ্য না দিয়েও চার্জশিটে সাক্ষীর বিবৃতি, দুই আসামিকে বাদ দেওয়ার অভিযোগ

>> জামালপুরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল

>> কারা ককটেল বিস্ফোরণ ও বাসে আগুন দিচ্ছে, জানাল ডিএমপি

>> জামায়াতের নেতৃত্ব নিয়ে রাশেদ খানের কড়া সমালোচনা, আমির হামজা ও গাজী নজরুলকে ঘিরে মন্তব্য

>> শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর না করার নিশ্চয়তা চাইলেন যুক্তরাজ্যের ছয় রাজনীতিক

>> হবিগঞ্জে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে আগুন, ক্ষতিগ্রস্ত নিচের অংশ

>> বিতর্কের মধ্যেই নীল স্যুটে পরীমনির নতুন লুক, ছবি ঘিরে আলোচনা

আপনি পড়ছেন : রাজনীতি

ট্রাইব্যুনালে বক্তব্যের সুযোগ না পেয়ে লতিফ সিদ্দিকী: ‘আমাকে ফাঁসি দিয়ে দিন’


৩০ জুলাই ২০২৬, সন্ধ্যা ৬:৫৯



ট্রাইব্যুনালে বক্তব্যের সুযোগ না পেয়ে লতিফ সিদ্দিকী: ‘আমাকে ফাঁসি দিয়ে দিন’

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় হাজির করা হলে সাবেক মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী আদালতের কাছে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ চান। তবে ট্রাইব্যুনাল তাঁর আবেদন গ্রহণ না করায় শুনানি শেষে কাঠগড়া থেকে বের হওয়ার সময় তিনি বলেন, “আমি বলতে চেয়েছিলাম, আমাকে ফাঁসি দিয়ে দিন।”

বৃহস্পতিবার রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশ ঘিরে সংঘটিত ঘটনায় দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তাঁকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ তাঁকে মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

শুনানির সময় লতিফ সিদ্দিকীর আইনজীবী তাঁর পক্ষে বক্তব্য দেওয়ার অনুমতি চান। আবেদনটি নাকচ হওয়ার পর লতিফ সিদ্দিকী কাঠগড়ার মাইক্রোফোনে আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করার চেষ্টা করেন। তিনি কয়েকবার কথা বলার উদ্যোগ নিলে ট্রাইব্যুনাল জানতে চান, তাঁকে কে কথা বলার অনুমতি দিয়েছে এবং এদিনের কার্যক্রম সেখানেই শেষ করার নির্দেশ দেন।

এরপর লতিফ সিদ্দিকী আদালতে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। এ সময় তাঁর কাছ থেকে মাইক্রোফোন সরিয়ে নিতে গেলে দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে কিছুটা বাকবিতণ্ডার ঘটনাও ঘটে।

পরে ট্রাইব্যুনালের হাজতখানায় নেওয়ার পথে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আদালতে তিনি শুধু এই কথাই বলতে চেয়েছিলেন যে তাঁকে ফাঁসির দণ্ড দেওয়া হোক।

এদিকে ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন লতিফ সিদ্দিকীর ছোট ভাই এবং কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি কাদের সিদ্দিকী। তিনি দাবি করেন, তাঁর ভাই শাপলা চত্বরের ঘটনায় নির্দোষ এবং মামলাটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তিনি বলেন, আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই তারা নিজেদের অবস্থান তুলে ধরবেন।

কাদের সিদ্দিকী আরও বলেন, আদালতে একজন অভিযুক্তের বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ থাকা উচিত। তাঁর অভিযোগ, তদন্ত সংস্থার কাছে লতিফ সিদ্দিকী যে ধরনের আচরণ পেয়েছেন, ট্রাইব্যুনালে তার বিপরীত অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছেন। তিনি একজন প্রবীণ ব্যক্তির প্রতি সম্মানজনক আচরণের আহ্বানও জানান।

হাতকড়া পরিয়ে আদালতে আনার বিষয়েও মন্তব্য করেন কাদের সিদ্দিকী। তাঁর ভাষায়, এটি সরকারের সিদ্ধান্তের বিষয় এবং এ নিয়ে চূড়ান্ত মন্তব্য করার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের।