মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ৮, ২০২৬
২৪ ভাদ্র ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> মাদকবিরোধী অভিযানে গিয়ে মাদকসহ দুই পুলিশ সদস্য গ্রেপ্তার

>> সুগন্ধি চাল রপ্তানির কোটা ৫০ শতাংশ কমাল সরকার

>> প্রকাশ্যে অস্ত্র প্রদর্শন, সীতাকুণ্ডে তিনজন গ্রেপ্তার; উদ্ধার হয়নি ব্যবহৃত অস্ত্র

>> সরকারি অফিসে যাতায়াত কমলেই দুর্নীতি কমবে: অর্থমন্ত্রী

>> ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, চিকিৎসককে হত্যার হুমকি

>> জার্মান সরকারের সম্মাননা পেলেন বাংলাদেশের শাকিল সৈয়দ

>> ২০২৭ সালে কিছুটা স্বস্তি, ২০২৮-এ আরও স্বস্তি, ২০৩০-এ জ্বালানিসংকটমুক্তির লক্ষ্য

>> কারখানার শ্রমিক থেকে অ্যাপল-টেসলার সরবরাহকারী, ঝোউ ছুনফেইয়ের অবিশ্বাস্য উত্থান

>> দেড় ডিগ্রি উষ্ণতা বাড়লেই বড় বিপদের মুখে পৃথিবী

>> চলন্ত বাসের নিচে মোটরসাইকেল, প্রাণ গেল দুই আরোহীর

আপনি পড়ছেন : ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় উচ্চস্বরে গান বাজানো নিয়ে পুলিশের সঙ্গে মাদ্রাসাছাত্রদের সংঘর্ষ, আহত ৩০


Rabeya ১৯ আগস্ট ২০২৬, সকাল ১১:১২



ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় উচ্চস্বরে গান বাজানো নিয়ে পুলিশের সঙ্গে মাদ্রাসাছাত্রদের সংঘর্ষ, আহত ৩০

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুলিশ লাইন্সে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে উচ্চস্বরে গান বাজানোকে কেন্দ্র করে পুলিশের সঙ্গে মাদ্রাসাছাত্রদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় পুলিশ ও মাদ্রাসাছাত্রসহ প্রায় ৩০ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ লাঠিচার্জ করে। পরে অনুষ্ঠানটি বন্ধ হয়ে যায়।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে শহরের পশ্চিম মেড্ডা এলাকার পুলিশ লাইন্সে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ, শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আব্দুল কুদ্দুস চৌধুরীর আগমন উপলক্ষে রাতে জেলা পুলিশের উদ্যোগে পুলিশ লাইন্সে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠান চলাকালে উচ্চস্বরে গান বাজানো নিয়ে পাশের মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের কথা-কাটাকাটি হয়।

মাদ্রাসার কয়েকজন শিক্ষার্থী প্রথমে পুলিশ লাইন্সে গিয়ে গানবাজনার শব্দ কমানোর অনুরোধ করেন বলে জানা গেছে। বিষয়টি নিয়ে তর্ক-বিতর্কের একপর্যায়ে শতাধিক শিক্ষার্থী সেখানে জড়ো হলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে লাঠিচার্জ করলে শিক্ষার্থীদের একটি অংশ পাল্টা ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে বলে পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে। এতে উভয় পক্ষের কয়েকজন আহত হন।

আহতদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

দারুল আরকাম মাদ্রাসার কয়েকজন শিক্ষার্থী জানান, বুধবার তাদের পরীক্ষা থাকায় উচ্চস্বরে গানবাজনার কারণে পড়াশোনায় সমস্যা হচ্ছিল। এ কারণে তারা শব্দ কমানোর অনুরোধ করেছিলেন। তাদের অভিযোগ, পরে আবার শব্দ বাড়ানো হলে বিষয়টি নিয়ে পুলিশের সঙ্গে উত্তেজনা সৃষ্টি হয় এবং একপর্যায়ে লাঠিচার্জ করা হয়।

শিক্ষার্থীরা ঘটনার তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। একইসঙ্গে দাবি পূরণ না হলে আন্দোলনের হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তারা।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে জেলা পুলিশ সুপার শাহ মোহাম্মদ আব্দুর রউফের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

ঘটনার প্রকৃত কারণ ও সংঘর্ষে কার কী ভূমিকা ছিল, তা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যাবে।