বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬
২৬ ভাদ্র ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> সিলেটে শিকল বেঁধে তরুণীকে টেনে নেওয়ার ভিডিও ভাইরাল

>> বাঁধনের ওপর হামলার প্রতিবাদ, সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের দাবি

>> হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন চালকবিহীন সাবমেরিন জব্দের দাবি ইরানের

>> জমিতে ছিটানো কীটনাশকের বিষক্রিয়ায় অসুস্থ হয়েছিল শিক্ষার্থীরা

>> ফেরেশতাদের সৃষ্টি কেন ও কীভাবে?

>> হাজতখানায় কেক কাটার অভিযোগ অস্বীকার জিয়াউল আহসানের আইনজীবীর, ‘মিডিয়া ট্রায়ালের’ অভিযোগ

>> মাদকবিরোধী অভিযানে গিয়ে মাদকসহ দুই পুলিশ সদস্য গ্রেপ্তার

>> সুগন্ধি চাল রপ্তানির কোটা ৫০ শতাংশ কমাল সরকার

>> প্রকাশ্যে অস্ত্র প্রদর্শন, সীতাকুণ্ডে তিনজন গ্রেপ্তার; উদ্ধার হয়নি ব্যবহৃত অস্ত্র

>> সরকারি অফিসে যাতায়াত কমলেই দুর্নীতি কমবে: অর্থমন্ত্রী

আপনি পড়ছেন : নেত্রকোনা

ফেসবুকের প্রেমে চীন থেকে মোহনগঞ্জে, ইসলাম গ্রহণ করে বিয়ে করলেন ওয়্যাং সুলিন


৩১ জুলাই ২০২৬, বিকাল ৪:৩৬
ফেসবুকের প্রেমে চীন থেকে মোহনগঞ্জে, ইসলাম গ্রহণ করে বিয়ে করলেন ওয়্যাং সুলিন

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পরিচয় থেকে শুরু হওয়া প্রেমের সম্পর্ক শেষ পর্যন্ত পরিণয় পেল বাংলাদেশে। চীনের নাগরিক ওয়্যাং সুলিন প্রেমের টানে নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে এসে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে বিয়ে করেছেন নাজমিন আক্তার (লিজা) নামে এক তরুণীকে। ধর্মান্তরের পর তাঁর নতুন নাম রাখা হয়েছে মো. নুর উদ্দিন

গত ২১ জুলাই অ্যাফিডেভিটের মাধ্যমে তাঁদের বিয়ে সম্পন্ন হয়। শুক্রবার মোহনগঞ্জ পৌর এলাকার দৌলতপুরে কনের পরিবারের উদ্যোগে বিয়ের আনুষ্ঠানিক আয়োজন করা হয়। বিদেশি জামাইকে একনজর দেখতে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ দেখা যায়।

নাজমিন আক্তার মোহনগঞ্জ সরকারি কলেজের স্নাতক (সম্মান) দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। তাঁর পরিবার মূলত সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার বাসিন্দা হলেও বর্তমানে মোহনগঞ্জে বসবাস করছে। অন্যদিকে ওয়্যাং সুলিন চীনের লুবেই প্রদেশের লুরাং শহরের বাসিন্দা এবং পেশায় একজন রেস্তোরাঁ ব্যবসায়ী।

পরিবারের সদস্যরা জানান, প্রায় দুই মাস আগে ফেসবুকে তাঁদের পরিচয় হয়। নিয়মিত যোগাযোগের মাধ্যমে সম্পর্ক গভীর হলে দুজন বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন। উভয় পরিবারের সম্মতি পাওয়ার পর গত ১৮ জুলাই ওয়্যাং সুলিন বাংলাদেশে আসেন। ঢাকায় পৌঁছানোর পর নাজমিনের পরিবারের সদস্যরা তাঁকে গ্রহণ করেন এবং পরে মোহনগঞ্জে নিয়ে যান। ইসলাম ধর্ম গ্রহণের পর আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাঁদের বিয়ে নিবন্ধন করা হয়।

নাজমিনের বাবা মো. নাজিম উদ্দিন বলেন, বিদেশি নাগরিকের সঙ্গে বিয়ে হওয়ায় তাঁরা শুরু থেকেই সতর্ক ছিলেন। চীনে থাকা বরের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলার পাশাপাশি চীনা দূতাবাসের মাধ্যমেও প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই করা হয়েছে। সবকিছু নিশ্চিত হওয়ার পরই বিয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

তিনি আরও জানান, বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষে নুর উদ্দিন চীনে ফিরে যাবেন। সেখানে প্রয়োজনীয় ভিসা ও অন্যান্য কাগজপত্র সম্পন্ন করে পরে স্ত্রী নাজমিনকে চীনে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

বিদেশি বর আসার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই স্থানীয়দের মধ্যে কৌতূহল তৈরি হয়েছে। অনেকেই নবদম্পতিকে শুভেচ্ছা জানাতে এবং তাঁদের সঙ্গে ছবি তুলতে কনের বাড়িতে ভিড় করছেন।

স্থানীয়দের আশা, পারস্পরিক বিশ্বাস ও পারিবারিক সম্মতির ভিত্তিতে গড়ে ওঠা এই সম্পর্ক সুখী ও সফল দাম্পত্য জীবনে পরিণত হবে।