বুধবার, অক্টোবর ৭, ২০২৬
২২ আশ্বিন ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> ইকুরিয়া বিআরটিএতে দালালচক্রের প্রভাবের অভিযোগ, প্রতিদিন লাখ লাখ টাকার অনিয়মের দাবি

>> ওসমানী উদ্যানের অবকাঠামো নিয়ে প্রশ্ন, প্রতিমন্ত্রী বললেন—‘পৃথিবীর কোথাও এমন দেখিনি’

>> ছেলের পর বাবাও খুন, আতঙ্কে পরিবার—‘মামলা করব না, পুলিশ যা করার করবে’

>> পটুয়াখালীতে বনের গাছ কেটে জমি দখলের অভিযোগ, বন বিভাগের জিডি

>> ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ৪২, মুচলেকায় মুক্ত

>> ভারতীয় ভিসার অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে নতুন নির্দেশনা আইভ্যাকের

>> ফেসবুক পোস্টের জন্য মৃত্যুদণ্ড, ছেলেকে ক্ষমার আবেদন মায়ের

>> আওয়ামী লীগের সঙ্গে রাজনৈতিক পুনর্মিলন অসম্ভব নয়

>> কমিশন বাণিজ্য ও দুর্নীতির অভিযোগ: বিআরটিসির ডিজিএম মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে দুদকে আবেদন

>> বায়ুদূষণে শীর্ষে ঢাকা, ৯ এলাকায় বাতাস খুবই অস্বাস্থ্যকর

আপনি পড়ছেন : ফরিদপুর

ফরিদপুরে জমি নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৯; বাড়িঘরে ভাঙচুর-লুটপাট


Rabeya ২৬ আগস্ট ২০২৬, দুপুর ২:২২



ফরিদপুরে জমি নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৯; বাড়িঘরে ভাঙচুর-লুটপাট


ফরিদপুরের সালথায় জমি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। দফায় দফায় সংঘর্ষ ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়ায় অন্তত নয়জন আহত হয়েছেন। এ সময় কয়েকটি বসতবাড়িতে ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগও উঠেছে।

মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের বড় বাংরাইল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গ্রামের বাসিন্দা মনির বিশ্বাস ও মিশরু বিশ্বাসের মধ্যে একটি জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। মঙ্গলবার বিকেল চারটার দিকে দুই পক্ষের লোকজনের মধ্যে প্রথমে কথা-কাটাকাটি ও হাতাহাতি হয়। পরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।

বিকেল চারটা থেকে পাঁচটা পর্যন্ত দফায় দফায় সংঘর্ষ ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত নয়জন আহত হন। তাঁদের মধ্যে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে আহত ছয়জনকে উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার অভিযোগ, সংঘর্ষের সুযোগ নিয়ে দুই পক্ষের লোকজন পরস্পরের বাড়িতে হামলা চালান। এতে অন্তত আটটি বসতবাড়ি ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ঘটনার পর মনির বিশ্বাস ও মিশরু বিশ্বাসের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁরা পলাতক থাকায় তাঁদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. বাবলুর রহমান খান জানান, খবর পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। কয়েকটি বসতঘর ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।