বুধবার, অক্টোবর ২১, ২০২৬
৬ কার্তিক ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> জিনের বাদশা ও তান্ত্রিক সেজে প্রতারণা, পিবিআইয়ের হাতে গ্রেপ্তার ২

>> নিঃসন্তান বোনের সম্পত্তির লোভে হত্যার অভিযোগ, ভাই-ভাবিসহ গ্রেপ্তার ৫

>> শাশুড়িকে মারধরের ভিডিও ভাইরাল, কুমিল্লায় পুত্রবধূ আটক

>> লখনউতে ‘সনাতন ভারতের বিরোধী রাবণ’ পোস্টারে ড. ইউনূস, রাহুল গান্ধী ও ইলন মাস্ক

>> বিএনপি-আওয়ামী লীগের মধ্যে সমঝোতা হয়েছে, অভিযোগ সাদিক কায়েমের

>> শিশুশিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ, মাদরাসার ভাইস প্রিন্সিপালকে মারধর

>> ভারতের আন্দোলনকে বাংলাদেশ ও নেপালের সঙ্গে তুলনার বিরোধিতা দীপকের

>> মাদক সেবন ও বিক্রিতে বাধা, বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে জখমের অভিযোগ

>> সরকারি দপ্তরে প্রায় এক লাখ পদে নিয়োগ আটকে, জটিলতা কাটাতে কী বলছে অর্থ বিভাগ?

>> দলীয় শৃঙ্খলা ভাঙলে ছাড় নয়, সতর্ক বিএনপির নেতাকর্মীরা

আপনি পড়ছেন : গাইবান্ধা

রাতে তরুণীর বাড়িতে হাতেনাতে আটক ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের নেতা


Rabeya ২ আগস্ট ২০২৬, বিকাল ৪:১৯



রাতে তরুণীর বাড়িতে হাতেনাতে আটক ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের নেতা

নিজস্ব প্রতিবেদক

গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলায় ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের এক নেতার বিয়ে ঘিরে স্থানীয়ভাবে আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ঘটনার পর স্থানীয়দের উপস্থিতিতে তাঁর বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে বলে একাধিক স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে। তবে ঘটনাটি নিয়ে ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট নেতা।

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, উপজেলার কঞ্চিপাড়া ইউনিয়নের একটি বাড়িতে ওই নেতাকে রাতে দেখতে পাওয়ার পর এলাকাবাসী সেখানে জড়ো হন। পরে উভয় পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়দের উপস্থিতিতে ওই তরুণীর সঙ্গে তাঁর বিয়ের ব্যবস্থা করা হয়।

অন্যদিকে, অভিযুক্ত নেতা মাহ্ফুজ সরকার রাকিব দাবি করেছেন, বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে বর্ণনা প্রচার করা হচ্ছে, তা সঠিক নয়। তাঁর বক্তব্য, দুই পরিবারের সম্মতিতেই বিয়ের আলোচনা চলছিল এবং সে কারণেই তিনি কনের বাড়িতে ছিলেন। পরদিন পারিবারিকভাবেই আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁদের বিয়ে সম্পন্ন হয়।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, ঘটনার কিছু খণ্ডিত ভিডিও প্রচার করে তাঁর ব্যক্তিগত ও সাংগঠনিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও জানান তিনি।

এদিকে কঞ্চিপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জানান, সংশ্লিষ্ট দুইজনের মধ্যে আগে থেকেই পরিচয় ও সম্পর্ক ছিল। স্থানীয়দের উপস্থিতিতে তাঁদের বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে এবং কাবিননামায় দেনমোহর নির্ধারণ করা হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের দাবি প্রচারিত হলেও, আটক বা আপত্তিকর অবস্থার অভিযোগ সম্পর্কে স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক তদন্ত বা বক্তব্য পাওয়া গেলে তা-ই ঘটনার প্রকৃত চিত্র স্পষ্ট করবে।