শনিবার, আগস্ট ২২, ২০২৬
৭ ভাদ্র ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> প্রথমবার আকাশে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ব্যাটারিচালিত উড়োজাহাজ

>> এলএনজি কার্গো আসায় বাড়ছে গ্যাস সরবরাহ, তবে সংকট কাটতে লাগবে আরও সময়

>> বিআরটিএ ঢাকা মেট্রো-৪: উচ্চমান সহকারী হারুন ইসলামকে ঘিরে ঘুষ ও সম্পদের অভিযোগ

>> সড়কে স্লিপার কোচ: অনুমোদন, নিরাপত্তা ও আমদানি নিয়ে বাড়ছে প্রশ্ন

>> বঙ্গবন্ধুর আদর্শে দেশ ও সমাজ গঠনে কাজ করছেন আয়মান হোসেন অপু

>> সিলেটে প্রদীপের ওপর ছাত্রদলের হামলার অভিযোগ, নিরাপত্তাহীনতায় সংখ্যালঘু পরিবার

>> ভয়াল ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার ২২তম বার্ষিকী, আজও অম্লান শহীদদের স্মৃতি

>> ধানমন্ডি ৩২ ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ: ড. ইউনূস-আসিফ নজরুলসহ ২৭ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন

>> রাজউকের পরিচালক সালেহ আহমেদ জাকারিয়ার বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ

>> রবার্তো কার্লোস ইসলাম গ্রহণ করেছেন? তুরস্কের সংবাদমাধ্যমের দাবি

আপনি পড়ছেন : গাইবান্ধা

রাতে তরুণীর বাড়িতে হাতেনাতে আটক ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের নেতা


Rabeya ২ আগস্ট ২০২৬, বিকাল ৪:১৯



রাতে তরুণীর বাড়িতে হাতেনাতে আটক ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের নেতা

নিজস্ব প্রতিবেদক

গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলায় ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের এক নেতার বিয়ে ঘিরে স্থানীয়ভাবে আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ঘটনার পর স্থানীয়দের উপস্থিতিতে তাঁর বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে বলে একাধিক স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে। তবে ঘটনাটি নিয়ে ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট নেতা।

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, উপজেলার কঞ্চিপাড়া ইউনিয়নের একটি বাড়িতে ওই নেতাকে রাতে দেখতে পাওয়ার পর এলাকাবাসী সেখানে জড়ো হন। পরে উভয় পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়দের উপস্থিতিতে ওই তরুণীর সঙ্গে তাঁর বিয়ের ব্যবস্থা করা হয়।

অন্যদিকে, অভিযুক্ত নেতা মাহ্ফুজ সরকার রাকিব দাবি করেছেন, বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে বর্ণনা প্রচার করা হচ্ছে, তা সঠিক নয়। তাঁর বক্তব্য, দুই পরিবারের সম্মতিতেই বিয়ের আলোচনা চলছিল এবং সে কারণেই তিনি কনের বাড়িতে ছিলেন। পরদিন পারিবারিকভাবেই আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁদের বিয়ে সম্পন্ন হয়।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, ঘটনার কিছু খণ্ডিত ভিডিও প্রচার করে তাঁর ব্যক্তিগত ও সাংগঠনিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও জানান তিনি।

এদিকে কঞ্চিপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জানান, সংশ্লিষ্ট দুইজনের মধ্যে আগে থেকেই পরিচয় ও সম্পর্ক ছিল। স্থানীয়দের উপস্থিতিতে তাঁদের বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে এবং কাবিননামায় দেনমোহর নির্ধারণ করা হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের দাবি প্রচারিত হলেও, আটক বা আপত্তিকর অবস্থার অভিযোগ সম্পর্কে স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক তদন্ত বা বক্তব্য পাওয়া গেলে তা-ই ঘটনার প্রকৃত চিত্র স্পষ্ট করবে।