মোট ৫৪টি ম্যাচের বেশির ভাগই অনুষ্ঠিত হবে দক্ষিণ আফ্রিকার আটটি শহরে। শহরগুলো হলো—জোহানেসবার্গ, সেঞ্চুরিয়ন, ডারবান, গেবেরা, কুগোম্পো সিটি, কেপ টাউন, পার্ল ও ব্লুমফন্টেইন। টুর্নামেন্টের ফাইনাল আয়োজনের জন্য ওয়ান্ডারার্স ও নিউল্যান্ডস স্টেডিয়ামকে সম্ভাব্য ভেন্যু হিসেবে রাখা হয়েছে।
জিম্বাবুয়ের হারারে, বুলাওয়ে ও ভিক্টোরিয়া ফলস—এই তিন শহরে অনুষ্ঠিত হবে ৭ থেকে ১০টি ম্যাচ। অন্যদিকে নামিবিয়ার রাজধানী উইন্ডহকেও অন্তত তিনটি ম্যাচ আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।
নতুন সংযোজন হিসেবে ভিক্টোরিয়া ফলসকে আয়োজক শহরের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সেখানে নির্মাণাধীন প্রায় ১০ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতার নতুন স্টেডিয়ামটি চলতি বছরের শেষ নাগাদ প্রস্তুত হওয়ার আশা করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক ম্যাচের মাধ্যমে ২০২৭ সালের শুরুতে স্টেডিয়ামটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের পরিকল্পনা রয়েছে।
প্রস্তুতি ম্যাচ আয়োজন করা হবে দক্ষিণ আফ্রিকার বেনোনি ও পচেফস্ট্রুমে। এছাড়া বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের কিছু ম্যাচ দক্ষিণ আফ্রিকা ও নামিবিয়ায় আয়োজনের সম্ভাবনাও রয়েছে।
এর আগে ২০০৩ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে ও কেনিয়া যৌথভাবে ওয়ানডে বিশ্বকাপ আয়োজন করেছিল। এবার প্রথমবারের মতো সিনিয়র পর্যায়ের কোনো আইসিসি টুর্নামেন্ট আয়োজনের দায়িত্ব পাচ্ছে নামিবিয়া।
প্রাথমিক সূচি অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ শুরু হবে ৪ অক্টোবর এবং ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ২১ নভেম্বর।