শুক্রবার, অক্টোবর ২৩, ২০২৬
৮ কার্তিক ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> পিএসসি সদস্যদের চায়ের দাওয়াত দিয়ে পদত্যাগে বাধ্য করার অভিযোগ আযাদের

>> বরগুনার বামনায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল, গ্রেপ্তার ১

>> শেখ হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে মাইকিং, নওগাঁয় আটক ২

>> সাংবাদিক-পুলিশকে মারধরের হুমকির অভিযোগে ছাত্রদল কর্মী আটক

>> এনসিপির রাজনৈতিক পর্ষদ পুনর্গঠন, যুক্ত হলেন নতুন মুখ

>> গভীর রাতে নেতানিয়াহুর গাড়িবহর লক্ষ্য করে বোতল নিক্ষেপ

>> সৌদি আরবের কারাগারে সাড়ে ৭ হাজার বাংলাদেশি, জানালেন শামা ওবায়েদ

>> ৩৭ হাজার টাকা বেতনে চাকরি, শতকোটি টাকার সম্পদের অভিযোগ সাভারের সাবেক ইউপি সচিব মহাসিনের বিরুদ্ধে

>> বিএনপি আওয়ামী লীগের অসমাপ্ত দায়িত্ব পালনে আগ্রহী, অভিযোগ জাগপার

>> দুর্গার সাজে ছবি পোস্ট, ধর্ম ও মানুষের আচরণ নিয়ে যা বললেন রুমিন ফারহানা

আপনি পড়ছেন : এক্সক্লুসিভ

নারায়ণগঞ্জে আদালত প্রাঙ্গণে হত্যা মামলার আসামিকে মারধর


Rabeya ২৪ আগস্ট ২০২৬, বিকাল ৪:১০



নারায়ণগঞ্জে আদালত প্রাঙ্গণে হত্যা মামলার আসামিকে মারধর


নারায়ণগঞ্জের বন্দরে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নেতা জাহিদ আল আমিন বুলবুল হত্যা মামলার প্রধান আসামি শেখ সিফাতকে আদালত প্রাঙ্গণে মারধরের ঘটনা ঘটেছে। রোববার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ আদালতে আসামিদের হাজির করার সময় নিহতের স্বজন ও ইসলামী আন্দোলনের নেতা-কর্মীরা পুলিশের নিরাপত্তাবেষ্টনীর মধ্যেই তাঁর ওপর হামলা করেন।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, আদালত প্রাঙ্গণে আসামিদের আনা হলে শেখ সিফাতকে লক্ষ্য করে উত্তেজিত হয়ে ওঠেন উপস্থিত লোকজন। একপর্যায়ে তাঁকে কিল-ঘুষি ও লাথি মারা হয়। এ সময় তাঁর পরনের কাপড় খুলে যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ সদস্যরা চেষ্টা করেন। ঘটনাকে কেন্দ্র করে আদালত এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

আদালত পুলিশের পরিদর্শক আবদুস সামাদ জানান, স্বজন হারানোর ক্ষোভ থেকে কয়েকজন উত্তেজিত হয়ে আসামিকে মারধর করেন এবং পুলিশের ওপরও হামলার চেষ্টা করেন।

এদিকে জাহিদ আল আমিন হত্যা মামলায় প্রধান আসামি শেখ সিফাতসহ সাতজনের ১০ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। একই মামলায় গ্রেপ্তার চার নারী আসামির তিন দিন করে রিমান্ড দেওয়া হয়েছে। শুনানি শেষে নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নুরুল হুদা চৌধুরী এ আদেশ দেন।

গত বৃহস্পতিবার রাতে বন্দরের সালেহনগর এলাকায় জাহিদ আল আমিনকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ ওঠে। পরদিন তাঁর ছোট ভাই জোবাইদ আল আমিন বাদী হয়ে ৪০ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও ১৫ থেকে ২০ জনকে আসামি করে মামলা করেন।

পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের পর অভিযান চালিয়ে ছয় ঘণ্টার মধ্যে শেখ সিফাতসহ ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁদের কাছ থেকে দেশীয় অস্ত্র উদ্ধারের কথাও জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় শিক্ষার্থীদের খাবার সরবরাহকে কেন্দ্র করে জাহিদ ও শেখ সিফাতসহ কয়েকজনের মধ্যে বিরোধ তৈরি হয়েছিল। পরে জাহিদের অটোরিকশার গ্যারেজে হামলা ও লুটপাটের ঘটনায় শেখ সিফাত মামলা করেছিলেন। সেই বিরোধের জের ধরেই তাঁকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছিল বলে দাবি পুলিশের।

জাহিদ হত্যার প্রতিবাদে শুক্রবার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছিলেন ইসলামী আন্দোলনের নেতা-কর্মীরা। পাশাপাশি হত্যার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং নিহতের পরিবারকে রাষ্ট্রীয় ক্ষতিপূরণের দাবিতে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপিও দেওয়া হয়েছে।

নোট: এটি আপনার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নতুন ভাষায় লেখা হয়েছে; মূল প্রতিবেদনের বাক্য ও কাঠামো হুবহু অনুসরণ করা হয়নি।