শনিবার, অক্টোবর ৩, ২০২৬
১৮ আশ্বিন ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> গাজীপুরে সোয়েটার কারখানায় আগুন, নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ৯ ইউনিট

>> শেখ হাসিনাকে ফেরানোর আইনি প্রক্রিয়া চলছে: দীনেশ ত্রিবেদী

>> আখতারুজ্জামানের গ্রেপ্তার নিয়ে কটিয়াদীতে মিশ্র প্রতিক্রিয়া, মুক্তির দাবিতে জামায়াতের বিক্ষোভ

>> ‘আমি আওয়ামী লীগার না’ বলে আদালত চত্বরে হেলমেট ছুড়ে ফেললেন আখতারুজ্জামান

>> দেশে আবার দুর্নীতি বেড়েছে, সীমান্তে পাহারা বসানোর দাবি নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর

>> বাসের টিকিট বিক্রি নিয়ে বিরোধ, দুই পক্ষের সংঘর্ষ ও ককটেল বিস্ফোরণ, আহত ১০

>> ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে ১০ অক্টোবর দিল্লিতে বিক্ষোভের ডাক

>> সরকারি দপ্তরের পাশেই জরাজীর্ণ স্কুল ভবন, ঝুঁকি নিয়ে চলছে পাঠদান

>> ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিআরটিএ কার্যালয়ে সেবা পেতে ঘুষ ও দালালচক্রের দৌরাত্ম্যের অভিযোগ

>> রাড্ডায় হামলা–মিষ্টির পদত্যাগ: বিএনপির কঠোরতা কতটা কার্যকর হবে?

আপনি পড়ছেন : এক্সক্লুসিভ

নারায়ণগঞ্জে আদালত প্রাঙ্গণে হত্যা মামলার আসামিকে মারধর


Rabeya ২৪ আগস্ট ২০২৬, বিকাল ৪:১০



নারায়ণগঞ্জে আদালত প্রাঙ্গণে হত্যা মামলার আসামিকে মারধর


নারায়ণগঞ্জের বন্দরে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নেতা জাহিদ আল আমিন বুলবুল হত্যা মামলার প্রধান আসামি শেখ সিফাতকে আদালত প্রাঙ্গণে মারধরের ঘটনা ঘটেছে। রোববার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ আদালতে আসামিদের হাজির করার সময় নিহতের স্বজন ও ইসলামী আন্দোলনের নেতা-কর্মীরা পুলিশের নিরাপত্তাবেষ্টনীর মধ্যেই তাঁর ওপর হামলা করেন।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, আদালত প্রাঙ্গণে আসামিদের আনা হলে শেখ সিফাতকে লক্ষ্য করে উত্তেজিত হয়ে ওঠেন উপস্থিত লোকজন। একপর্যায়ে তাঁকে কিল-ঘুষি ও লাথি মারা হয়। এ সময় তাঁর পরনের কাপড় খুলে যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ সদস্যরা চেষ্টা করেন। ঘটনাকে কেন্দ্র করে আদালত এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

আদালত পুলিশের পরিদর্শক আবদুস সামাদ জানান, স্বজন হারানোর ক্ষোভ থেকে কয়েকজন উত্তেজিত হয়ে আসামিকে মারধর করেন এবং পুলিশের ওপরও হামলার চেষ্টা করেন।

এদিকে জাহিদ আল আমিন হত্যা মামলায় প্রধান আসামি শেখ সিফাতসহ সাতজনের ১০ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। একই মামলায় গ্রেপ্তার চার নারী আসামির তিন দিন করে রিমান্ড দেওয়া হয়েছে। শুনানি শেষে নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নুরুল হুদা চৌধুরী এ আদেশ দেন।

গত বৃহস্পতিবার রাতে বন্দরের সালেহনগর এলাকায় জাহিদ আল আমিনকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ ওঠে। পরদিন তাঁর ছোট ভাই জোবাইদ আল আমিন বাদী হয়ে ৪০ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও ১৫ থেকে ২০ জনকে আসামি করে মামলা করেন।

পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের পর অভিযান চালিয়ে ছয় ঘণ্টার মধ্যে শেখ সিফাতসহ ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁদের কাছ থেকে দেশীয় অস্ত্র উদ্ধারের কথাও জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় শিক্ষার্থীদের খাবার সরবরাহকে কেন্দ্র করে জাহিদ ও শেখ সিফাতসহ কয়েকজনের মধ্যে বিরোধ তৈরি হয়েছিল। পরে জাহিদের অটোরিকশার গ্যারেজে হামলা ও লুটপাটের ঘটনায় শেখ সিফাত মামলা করেছিলেন। সেই বিরোধের জের ধরেই তাঁকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছিল বলে দাবি পুলিশের।

জাহিদ হত্যার প্রতিবাদে শুক্রবার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছিলেন ইসলামী আন্দোলনের নেতা-কর্মীরা। পাশাপাশি হত্যার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং নিহতের পরিবারকে রাষ্ট্রীয় ক্ষতিপূরণের দাবিতে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপিও দেওয়া হয়েছে।

নোট: এটি আপনার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নতুন ভাষায় লেখা হয়েছে; মূল প্রতিবেদনের বাক্য ও কাঠামো হুবহু অনুসরণ করা হয়নি।