রবিবার, আগস্ট ১৬, ২০২৬
১ ভাদ্র ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> বঙ্গবন্ধু দেশের সকলকে নিয়ে কাজ করতে গিয়েই স্ব-পরিবারে হত্যাকান্ডের শিকার হন।

>> অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়

>> আগামীকাল পুরো দিন ব্যাটিং করে জয়ের সুযোগ তৈরি করতে চায় অস্ট্রেলিয়া

>> ধানমন্ডি ৩২-এ ‘জয় বাংলা’ স্লোগান ও সিঙারা বিতরণের অভিযোগে মারধর, আটক ২

>> গৌরনদীতে ছাত্রলীগ নেতার বাড়িতে হামলা-লুটপাট, মাকে মারধরের অভিযোগ

>> নবাবগঞ্জে আওয়ামী লীগের মিছিল ঘিরে মামলা, জামায়াতের পাঁচ কর্মীও আসামি

>> সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগকারী ইসলামী ব্যাংকের কর্মকর্তা বরখাস্ত

>> যেকোনো সময় ভারত সফরে যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী: জাহেদ উর রহমান

>> শেখ হাসিনা ফিরলে পূর্ণ নিরাপত্তা দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান

>> ঢাকা জেলা সিএনজি মহানগরীতে চলাচলের প্রতিশ্রুতির অভিযোগ, প্রায় ১০ কোটি টাকা আত্মসাতের দাবি

আপনি পড়ছেন : খেলা

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়


Rabeya ১৬ আগস্ট ২০২৬, দুপুর ১২:৫৭



অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে স্বাগতিকদের বিপক্ষে ৯ উইকেটের ঐতিহাসিক জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। এই জয়কে বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম, এমনকি এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় সাফল্য হিসেবে দেখছেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত।

ডারউইনে অনুষ্ঠিত টেস্টে অস্ট্রেলিয়াকে হারানোর পর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে নাজমুল বলেন, যেকোনো সংস্করণ বিবেচনায় এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জয়গুলোর একটি। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে আরও বড় সাফল্য অর্জনের প্রত্যয়ও জানান তিনি।

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে এশিয়ার দলগুলোর সাফল্যের ইতিহাস খুব বেশি সমৃদ্ধ নয়। শ্রীলঙ্কা এখনো অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্টে স্বাগতিকদের হারাতে পারেনি। পাকিস্তান সর্বশেষ ১৯৯৫ সালে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট জয় পেয়েছিল। চলতি শতকে ভারতের পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে অস্ট্রেলিয়াকে টেস্টে হারানো এশিয়ার আরেক দল হিসেবে এবার বাংলাদেশের নাম যুক্ত হলো।

এর আগে ২০২২ সালে নিউজিল্যান্ডের মাটিতে টেস্ট জিতেছিল বাংলাদেশ। সেটিও ছিল দেশের ক্রিকেটের জন্য স্মরণীয় এক অর্জন। তবে অস্ট্রেলিয়ার মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে তাদেরই মাটিতে পাওয়া এই জয়কে আরও বিশেষ হিসেবে দেখছেন নাজমুল।

ঐতিহাসিক এই ম্যাচে ব্যাট হাতে অধিনায়কও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। প্রথম ইনিংসে ৮৪ রানের ইনিংস খেলার পাশাপাশি পুরো ম্যাচে নেতৃত্ব দিয়ে প্রশংসা কুড়িয়েছেন তিনি। নিজের পারফরম্যান্স এবং দলের খেলায় সন্তুষ্টি প্রকাশ করে নাজমুল জানান, এই সাফল্যের পেছনে দীর্ঘদিনের পরিশ্রম রয়েছে।

বাংলাদেশের পেস বোলিংয়ের উন্নতিকেও এই সাফল্যের অন্যতম বড় কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন অধিনায়ক। তার মতে, কয়েক বছর আগেও বাংলাদেশের পেসারদের মধ্যে টেস্ট ক্রিকেট খেলার আগ্রহ তুলনামূলক কম ছিল। এখন পরিস্থিতি বদলেছে। পেসাররা টেস্ট ক্রিকেটকে গুরুত্ব দিচ্ছেন, ভালো করতে চাইছেন এবং বিশ্বমানের বোলার হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন।

সিনিয়র ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিম ও মুমিনুল হকের মতো খেলোয়াড়রাও পেসারদের টেস্ট ক্রিকেটে আরও বেশি মনোযোগী হতে উৎসাহিত করেছেন বলে জানান নাজমুল।

প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরি করা তানজিদ হাসানের ব্যাটিংয়েরও প্রশংসা করেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। সাদা বলের ক্রিকেটে আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ের জন্য পরিচিত তানজিদ টেস্টে পরিস্থিতি বুঝে ধৈর্যের সঙ্গে ব্যাটিং করেছেন বলে মনে করেন তিনি। টপ অর্ডারের ব্যাটসম্যান হিসেবে দলের জন্য তানজিদের অবদান গুরুত্বপূর্ণ বলেও উল্লেখ করেন নাজমুল।

ঐতিহাসিক জয় পাওয়ার পরও আত্মতুষ্টিতে ভুগতে চান না বাংলাদেশ অধিনায়ক। সামনে দ্বিতীয় টেস্টেও পাঁচ দিন ধরে ধারাবাহিকভাবে ভালো ক্রিকেট খেলার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি। প্রতিটি সেশন ধরে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন এবং নিচের সারির ব্যাটসম্যানদের নিয়মিত অবদান রাখাকে সাফল্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন নাজমুল।

অস্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশ সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট শুরু হবে ২২ আগস্ট ম্যাকাইয়ে। প্রথম টেস্টের আত্মবিশ্বাস সঙ্গে নিয়ে সিরিজের শেষ ম্যাচেও জয়ের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে চাইবে বাংলাদেশ।