বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বাড়ানো ও শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়নের দাবিতে বিক্ষোভ চলাকালে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়েছেন বিক্ষোভকারীরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ও পিপার স্প্রে ব্যবহার করেছে।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) কয়েক শ মানুষ এই বিক্ষোভে অংশ নেন। তাঁদের অধিকাংশই তরুণ। রয়টার্সের প্রত্যক্ষদর্শী এবং বেলজিয়ামের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কয়েক মাস ধরে চলা আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় তাঁরা আবারও রাস্তায় নামেন। বিক্ষোভকারীরা শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধির পাশাপাশি পুলিশের অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের অভিযোগও তোলেন।
একপর্যায়ে পুলিশ বিক্ষোভকারীদের ধাওয়া করলে অনেকে দৌড়ে পালানোর সময় পড়ে যান। এ সময় পুলিশের এক সদস্যকে এক বিক্ষোভকারীকে লাঠি দিয়ে আঘাত ও লাথি মারতে দেখা যায় বলে প্রত্যক্ষদর্শীদের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
অন্যদিকে, বিক্ষোভকারীরা রাস্তার সাইনবোর্ডসহ বিভিন্ন জিনিস ভাড়া করা স্কুটার ও সাইকেলের স্তূপের ওপর ফেলে আগুন দেওয়ার চেষ্টা করেন। পৃথক একটি ঘটনায় বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করে বলে কয়েকটি স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে।
তবে ব্রাসেলস পুলিশ দিনের শেষ দিকে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানায়, বড় ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি। জনশৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
পুলিশের বিবৃতি অনুযায়ী, জনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত করার অভিযোগে পাঁচজনকে সাময়িকভাবে আটক করা হয়েছে। এ ছাড়া নিষিদ্ধ অস্ত্র রাখার অভিযোগ এবং দাঙ্গায় উসকানি দেওয়ার অভিযোগে আরও চারজনকে আটক করা হয়।
শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়ন ও শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বাড়ানোর দাবিতে চলমান আন্দোলনের মধ্যে শনিবারের এই সংঘর্ষ বেলজিয়ামের রাজধানীতে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে।