বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ১, ২০২৬
১৬ আশ্বিন ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> শরীয়তপুর আদালত চত্বরে তিন আইনজীবীকে মারধরের অভিযোগ, বিএনপির নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা হয়নি

>> রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলা: পদত্যাগ করলেন বিএনপির এমপি ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি

>> অনশনের পর মধ্যরাতে ময়মনসিংহে ২০ জনের নিয়োগপত্র, বঞ্চিত আরও দুজন

>> বিরোধী দলগুলোর কর্মসূচির মধ্যে মাঠের তৎপরতা বাড়াচ্ছে বিএনপি

>> যুবদল নেতার মামলায় জামায়াতের ২৫ নেতা-কর্মী কারাগারে

>> মোস্তাফিজের ২ ওভারে ৪১ রান, পাকিস্তানের কাছে ৬ উইকেটে হারল বাংলাদেশ

>> ডেঙ্গুতে আরও ৬ জনের মৃত্যু, এক দিনে হাসপাতালে ভর্তি ১,৯৪২

>> যুদ্ধের পর মধ্যপ্রাচ্যের তেল রপ্তানি সর্বোচ্চ, তবে কমেনি বিশ্ববাজারের দাম

>> বাবার অটোরিকশা নিয়ে বেরিয়ে নিখোঁজ মাদ্রাসাছাত্র, পরে মিলল ব্যাটারিবিহীন রিকশা

>> রাজনৈতিক জোটের সঙ্গে সম্পর্কের প্রশ্নে আটকে আছে ৭ ইসলামী দলের ঐক্য

আপনি পড়ছেন : শরীয়তপুর

শরীয়তপুর আদালত চত্বরে তিন আইনজীবীকে মারধরের অভিযোগ, বিএনপির নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা হয়নি


Sifat Islam Sohag ১ অক্টোবর ২০২৬, বিকাল ৩:৫২



শরীয়তপুর আদালত চত্বরে তিন আইনজীবীকে মারধরের অভিযোগ, বিএনপির নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা হয়নি

শরীয়তপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালত চত্বরে তিন আইনজীবীকে মারধর এবং দুটি চেম্বারে ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে বিএনপির একটি পক্ষের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে। বুধবার বেলা ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।

মারধরের শিকার আইনজীবীরা হলেন সানোয়ার মল্লিক, শাহীন খান ও তানিয়া সুলতানা। তাঁরা আওয়ামী লীগ-সমর্থিত আইনজীবীদের সংগঠন বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের সদস্য বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্র ও পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, আওয়ামী লীগের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে কয়েকজন আইনজীবীর কর্মসূচির আয়োজনের প্রতিবাদে বিএনপির নেতা-কর্মীরা আদালত চত্বরে মিছিল করেন। সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহবুব মোর্শেদের নেতৃত্বে ওই মিছিল বের করা হয় বলে জানা গেছে।

অভিযোগ রয়েছে, মিছিল চলাকালে কয়েকজন আইনজীবী সানোয়ার মল্লিককে জেলা ও দায়রা জজ আদালত ভবনের সিঁড়িতে মারধর করেন। পরে তাঁকে আদালত ভবনের সামনে নিয়ে গিয়েও মারধর করা হয়।

সানোয়ার মল্লিকের দাবি, দুই দিন আগে কয়েকজন আইনজীবী শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে কেক কাটার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করেই বিএনপির নেতা-কর্মীরা মিছিল বের করেন। তাঁর অভিযোগ, মিছিল থেকে মাহবুব মোর্শেদ ও তাঁর ছেলে মিহির তাঁকে মারধর করেন এবং রড দিয়ে আঘাত করা হয়। আহত হলেও হামলার আশঙ্কায় তিনি হাসপাতালে ভর্তি হননি বলে জানান।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মাহবুব মোর্শেদ। তাঁর ভাষ্য, নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নামে কর্মসূচির মাধ্যমে কেউ অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করছে—এমন অভিযোগের প্রতিবাদেই বিএনপি মিছিল করেছে। মিছিল থেকে কেউ হামলা করে থাকলে কারা করেছে, সে বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না বলে দাবি করেন।

এদিকে মিছিল শেষে বিএনপির নেতা-কর্মীদের একটি দল আইনজীবী সমিতির পাশে একটি ভবনে থাকা শাহীন খান ও তানিয়া সুলতানার চেম্বারে গিয়ে হামলা ও ভাঙচুর করেছে বলেও অভিযোগ করেছেন তাঁরা।

তানিয়া সুলতানার অভিযোগ, ৩০ থেকে ৩৫ জন তাঁর ও শাহীন খানের চেম্বারে প্রবেশ করেন। আতঙ্কে শাহীন খান টয়লেটে আশ্রয় নিলে হামলাকারীরা দরজা ভেঙে তাঁকে মারধর করেন। এ সময় তাঁকেও মারধর ও গালিগালাজ করা হয় বলে অভিযোগ করেন তানিয়া।

ঘটনার বিষয়ে কয়েকজন আইনজীবীর কাছ থেকে তথ্য পাওয়ার কথা জানিয়েছেন শরীয়তপুর আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মৃধা নজরুল ইসলাম। তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে আইনজীবী সমিতি আলোচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে।

পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ আলম জানান, পুলিশ আদালত চত্বরে পৌঁছানোর আগেই পরিস্থিতি শান্ত হয়ে যায়। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।x