বুধবার, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
৮ আশ্বিন ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> স্লুইসগেটের নিচে ভাসছিল প্লাস্টিকের ড্রাম, ভেতরে মিলল অর্ধগলিত মরদেহ

>> মিয়ানমার থেকে মালয়েশিয়া যাওয়ার পথে টেকনাফে নৌকাডুবি, রোহিঙ্গা মা-ছেলের মৃত্যু

>> সড়ক থেকে বাড়ি পর্যন্ত ২০ সিসিটিভি, হ্যাকিং ও মাদক মামলায় ৬ জন কারাগারে

>> জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় দুই অঙ্কের মূল্যস্ফীতির শঙ্কা

>> সাকিবসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে শেয়ারবাজার কারসাজির মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন ১৭ নভেম্বর

>> ‘আমার দুধের বাচ্চাকে কেন ভিকটিম ব্লেমিং করা হচ্ছে’—প্রশ্ন অপ্রতিমের মায়ের

>> চীনের যে কারখানায় প্রতি মাসে তৈরি হয় ৬০ লাখ স্মার্টফোন

>> দুই আইনজীবীর বিরুদ্ধে আদালত অবমাননা মামলার শুনানি হয়নি, নতুন তারিখ ২৬ অক্টোবর

>> শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্সের টাকা প্রতিদিন গণনার সিদ্ধান্ত

>> সাগরে মাছ ধরার নৌযান বাড়ছে, কমছে ইলিশের আহরণ

আপনি পড়ছেন : শরীয়তপুর

দুই হাত তুলে রাস্তা পার হওয়ার সময় বাসের ধাক্কায় প্রাণ গেল রতনের


Rabeya ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, দুপুর ২:৩৮



দুই হাত তুলে রাস্তা পার হওয়ার সময় বাসের ধাক্কায় প্রাণ গেল রতনের


শরীয়তপুরে সড়ক পার হওয়ার সময় যানবাহন থামাতে দুই হাত তুলে ইশারা করছিলেন রতন পোদ্দার। কয়েকটি যানবাহন থামলেও একটি মিনিবাস না থেমে তাঁকে ধাক্কা দিলে ছিটকে সড়কে পড়ে গুরুতর আহত হন তিনি। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়।

বুধবার সন্ধ্যার পর শরীয়তপুর শহরের ধানুকা এলাকায় শরীয়তপুর-মাদারীপুর আঞ্চলিক মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার একটি ১৭ সেকেন্ডের ভিডিও পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

নিহত রতন পোদ্দার শরীয়তপুর পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ মধ্যপাড়া এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। বাড়ির সামনে চায়ের দোকান চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন তিনি। তাঁর মা যুগল বালা পোদ্দার ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা।

স্থানীয় সূত্র ও পালং মডেল থানা পুলিশ জানায়, ব্যক্তিগত কাজে বুধবার সন্ধ্যায় ধানুকা এলাকায় গিয়েছিলেন রতন। পরে সড়ক পার হওয়ার সময় দুই হাত উঁচু করে যানবাহন থামানোর চেষ্টা করেন। কয়েকটি গাড়ি থামলেও শরীয়তপুর আন্তজেলা বাস মালিক সমিতির একটি মিনিবাস তাঁকে ধাক্কা দেয়।

ধাক্কায় রতন ছিটকে সড়কের ওপর পড়ে গুরুতর আহত হন। দুর্ঘটনার পর বাসটি দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পরে স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে যান।

হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত থাকায় রতনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়। তবে রাত ৯টার দিকে রাজধানীতে নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়।

এদিকে দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন বাসটির পিছু নিয়ে চালকসহ সংশ্লিষ্টদের আটক করেন। পরে তাঁদের পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পুলিশ বাসটি জব্দ করেছে এবং চালককে আটক করেছে।

পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহ আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, দুর্ঘটনার ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রতনের প্রতিবেশী শ্যামল সাহা জানান, প্রায় এক মাস আগে হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে রতনের স্ত্রী মারা যান। স্ত্রীর মৃত্যুর পর থেকেই তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। রতন ও তাঁর স্ত্রীর দুই সন্তান রয়েছে।