সোমবার, অক্টোবর ২৬, ২০২৬
১১ কার্তিক ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে তেহরানে বৈঠকে বসছেন সৌদি, তুরস্ক ও পাকিস্তানের শীর্ষ কর্মকর্তারা

>> বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কা, তিন বিভাগে বৃষ্টির পূর্বাভাস

>> বিআরটিসির ঢাকা ট্রাক ডিপোতে অর্থ লোপাটের অভিযোগ, মোশারফকে ঘিরে প্রশ্ন

>> প্রেমের ফাঁদে ফেলে ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগ, হানিট্র্যাপ চক্রের ৫ সদস্য গ্রেপ্তার

>> সৌদি আরবে এক সপ্তাহে প্রায় ১৪ হাজার গ্রেপ্তার

>> আসিফ আকবরের গাড়িতে গুলি, মামলা হলেও শনাক্ত হয়নি হামলাকারী

>> আনিসুল হকের বিরুদ্ধে দুর্নীতি মামলার চার্জশিট গ্রহণ, তিন আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

>> ৬ কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার, ক্রয় প্রস্তাবে অনুমোদন

>> জাতীয় নারীশক্তির নতুন আংশিক কমিটি ঘোষণা, ১৫ দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি

>> ব্রাসেলসে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ, আটক ৯

আপনি পড়ছেন : বিশ্ব

কাশ্মীর সীমান্তে রাতভর ভারত-পাকিস্তানের সেনাদের মধ্যে ব্যাপক গোলাগুলি


ডেস্ক রিপোর্ট
কাশ্মীর সীমান্তে রাতভর ভারত-পাকিস্তানের সেনাদের মধ্যে ব্যাপক গোলাগুলি
ছবি:সংগৃহীত

কাশ্মীর সীমান্তে ভারত-পাকিস্তানের সেনাদের মধ্যে নতুন করে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। রোববার (৪ মে) রাতের আঁধারে এই গোলাগুলির ঘটনা ঘটে, যা এলওসি (নিয়ন্ত্রণরেখা) বরাবর দীর্ঘ ১১ রাতের সংঘর্ষের একটি অংশ। তবে, এই গোলাগুলির ফলে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। ভারতীয় সেনাবাহিনী জানায় যে, পাকিস্তানি সেনাবাহিনী একতরফা গুলিবর্ষণ করছে, এবং তারা পাল্টা জবাব দিয়েছে।

গত ২৩ এপ্রিল পেহেলগামে হামলার পর থেকেই এই গোলাগুলির ঘটনা অব্যাহত রয়েছে। ৪ ও ৫ মে-র মধ্যবর্তী রাতে কুপওয়ারা, বারামুলা, পুঞ্চ, রাজৌরি, মেন্ধার, নওশেরা, সুন্দরবনি ও আখনুর সেক্টরে ছোট অস্ত্র দিয়ে গুলি চালানো হয়। ভারতীয় সেনাবাহিনী এই গুলির পাল্টা প্রতিক্রিয়া দেখায়। তবে পাকিস্তান এখনও এই বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।

 

এদিকে, ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে একে অপরকে আটক করার ঘটনা ঘটেছে। ভারতীয় বিএসএফ সদস্য পূর্ণম কুমার সাহু পাকিস্তানে প্রবেশ করলে তাকে পাকিস্তান রেঞ্জার্স আটক করে। এর পর ৩ মে, রাজস্থানে পাকিস্তানি রেঞ্জারকে আটক করেছে বিএসএফ। এই গোলাগুলি এবং আটক অভিযানগুলো এমন এক সময়ে ঘটছে, যখন পেহেলগামে হামলার পর দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। ভারত, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে একতরফা নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে, যেমন সিন্ধু পানি চুক্তি স্থগিত, আতারি সীমান্ত ক্রসিং বন্ধ করা, এবং কূটনৈতিক সম্পর্ক অবনতির ঘোষণা।

পাকিস্তান তার আকাশসীমা ভারতীয় উড়োজাহাজের জন্য বন্ধ করে দেয়, এবং ভারতীয় বাণিজ্যও স্থগিত করে। পাকিস্তান ভারতের পানি চুক্তি স্থগিতের ঘোষণা প্রত্যাখ্যান করে এবং হুঁশিয়ারি দেয় যে, পানি বন্ধ করে দেওয়া হলে এটি যুদ্ধ ঘোষণা হিসেবে গণ্য হবে। এই উত্তেজনার মধ্যেই পাকিস্তান তার "আবদালি" ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার ঘোষণা দেয়, যা ভারতের কর্মকর্তারা "উসকানি" হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তথ্যসূত্র : এনডিটিভি