শনিবার, অক্টোবর ২৪, ২০২৬
৯ কার্তিক ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে পুলিশের ওপর হামলা, গোপালগঞ্জে আহত ২

>> সৌদি আরবের বিরুদ্ধে প্রচারযুদ্ধে এপস্টিনের নথি ব্যবহার করছে হুতিরা

>> রাঙামাটি বন বিভাগে বদলি ও ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ, তদন্তের দাবি

>> ইজতেমা মাঠে সাদপন্থিদের ইজতেমা আয়োজন বন্ধের দাবি শুরায়ি নেজামের

>> মাদ্রাসায় যৌন নির্যাতন রোধে কঠোর পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি ধর্মমন্ত্রীর

>> এনসিপির নতুন কমিটিতে আলেমের সংখ্যা কমায় ক্ষুব্ধ আশরাফ মাহদি

>> মা ইলিশ রক্ষার অভিযানে বৈঠা দিয়ে হামলা, পুলিশসহ আহত ২

>> পিএসসি সদস্যদের চায়ের দাওয়াত দিয়ে পদত্যাগে বাধ্য করার অভিযোগ আযাদের

>> বরগুনার বামনায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল, গ্রেপ্তার ১

>> শেখ হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে মাইকিং, নওগাঁয় আটক ২

আপনি পড়ছেন : ঢাকা

দোকানের মালিকানা নিয়ে দুই হলের শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ, আহত ৯


১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বিকাল ৫:১০



দোকানের মালিকানা নিয়ে দুই হলের শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ, আহত ৯


জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে দোকানের মালিকানা নিয়ে দুই হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৯ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।

সোমবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর চত্বর এলাকায় বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হল ও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হল চালু হওয়ার পর ওই এলাকার বেশ কয়েকটি দোকান বরাদ্দ দেওয়া হয়। পরে ২০২৪ সালে কাছাকাছি এলাকায় কাজী নজরুল ইসলাম হল চালু হলে দোকানগুলোর মালিকানা নিয়ে দুই হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিরোধ তৈরি হয়। কাজী নজরুল ইসলাম হলের শিক্ষার্থীরা চারটি দোকানের মালিকানা দাবি করে আসছিলেন।

এ নিয়ে কয়েক দিন ধরে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা চলছিল। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, গত রাতে নজরুল হলের শিক্ষার্থীরা তাঁদের হলের সামনে থাকা চারটি দোকানে তালা দেওয়ার পরিকল্পনা করেন। বিষয়টি জানতে পেরে সোমবার দুপুরে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলের কয়েকজন শিক্ষার্থী রবীন্দ্র চত্বরে অবস্থান নেন।

পরে নজরুল হলের একদল শিক্ষার্থী সেখানে গেলে দুই পক্ষের মধ্যে প্রথমে ধাক্কাধাক্কি হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে দুই হলের বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক জাকির হোসেন বলেন, আহত শিক্ষার্থীদের অ্যাম্বুলেন্সে করে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে দুই হলের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাকেন্দ্রের উপপ্রধান চিকিৎসা কর্মকর্তা রিজওয়ানুর রহমান জানান, বিকেল পৌনে পাঁচটা পর্যন্ত ৯ জন শিক্ষার্থী চিকিৎসা নিতে এসেছেন। তাঁদের মধ্যে দুজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য সাভারের একটি হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অন্যরা বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাকেন্দ্রে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।