শনিবার, অক্টোবর ১০, ২০২৬
২৫ আশ্বিন ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> ‘জামায়াতের সেক্রেটারির ৭০০ অটোরিকশা’—ডিএনসিসি প্রশাসকের কাছে প্রমাণ চাইল জামায়াত

>> চাঁদা না দেওয়ায় লেগুনা মালিককে মারধরের অভিযোগ, উল্টো চাঁদাবাজ সাজিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ার দাবি

>> সীতাকুণ্ডে বিদ্যালয়ের পেছনে মিলল হাত-পা বাঁধা নারীর মরদেহ

>> চট্টগ্রাম কাস্টমসে এসি ওমর ফারুক ও আরও সুমন কান্তি বিশ্বাসের বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্য ও হয়রানির অভিযোগ

>> নারায়ণগঞ্জ বিআরটিএতে ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ, মাহবুব-উসমান-হেমায়েতকে ঘিরে প্রশ্ন

>> ঘুষ ছাড়া মেলে না সেবা, নারায়ণগঞ্জ বিআরটিএতে দালালচক্রের দৌরাত্ম্যের অভিযোগ

>> সোনাইমুড়ীর সাব-রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্য ও সেবাগ্রহীতাদের হয়রানির অভিযোগ

>> মুক্তিযোদ্ধাদের যথাযথ সম্মান ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে হবে: রাষ্ট্রপতি

>> ট্রাকচালক হত্যা মামলায় হাসিনাসহ ৩৪ আসামির অভিযোগ গঠন ফের পেছাল

>> হাতকড়া পেছনে রেখে সিঁড়ি দিয়ে আদালতে ওঠানো নিয়ে পলকের আপত্তি

আপনি পড়ছেন : হবিগঞ্জ

হবিগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত


Rabeya ৩০ আগস্ট ২০২৬, বিকাল ৪:৩২



হবিগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত


হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার চিমটিবিল সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) গুলি চালালে সোহাগ মিয়া (২১) নামে এক বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। আজ রোববার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সীমান্তের ভারতীয় অংশে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত সোহাগ চিমটিবিল এলাকার বাসিন্দা সফিকুল ইসলামের ছেলে। পরিবারের সদস্যদের দাবি, তিনি রাখাল হিসেবে কাজ করতেন।

বিজিবি হবিগঞ্জ ৫৫ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল তানজিলুর রহমান জানান, ঘটনার পর বিজিবির সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। সীমান্তের শূন্যলাইন থেকে প্রায় এক কিলোমিটার ভেতরে ভারতীয় অংশে গুলির ঘটনা ঘটে। বিএসএফ গরু চোরাকারবারি শনাক্ত করে গুলি চালালে ওই ব্যক্তি নিহত হন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

বিজিবি কর্মকর্তা জানান, নিহতের লাশ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

বিজিবি ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে চিমটিবিল সীমান্ত এলাকায় হঠাৎ গুলির শব্দ শুনতে পান স্থানীয় বাসিন্দারা। পরে সীমান্তের কাছে এক ব্যক্তিকে পড়ে থাকতে দেখা যায়। তাঁর পোশাক দেখে স্থানীয়দের ধারণা হয়, তিনি বাংলাদেশি।

পরিবারের সদস্যরা পরে তাঁকে সোহাগ মিয়া হিসেবে শনাক্ত করেন। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে চুনারুঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের চাচা আবদুল কাদিরের দাবি, সোহাগ সীমান্ত এলাকায় গরুকে ঘাস খাওয়াতে গিয়েছিলেন। সেখানে বিএসএফ তাঁকে গরু চোরাকারবারি সন্দেহে গুলি করে।

ঘটনার পর দুপুর পর্যন্ত সোহাগের লাশ চুনারুঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ছিল। পরে বিকেল সাড়ে ৩টার পর থানার পুলিশ হাসপাতালে গিয়ে লাশের সুরতহাল সম্পন্ন করে।