মঙ্গলবার, অক্টোবর ২৭, ২০২৬
১২ কার্তিক ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগের ১৪ নেতাকর্মী ৩ দিনের রিমান্ডে

>> বাংলাদেশে ১ ট্রিলিয়ন ইয়েন বিনিয়োগ, ২ লাখ কর্মসংস্থানের আশা

>> মুক্তিযোদ্ধার দাফনে বাধা, জড়িতদের পরিণতি ভোগ করতে হবে: জাহেদ উর রহমান

>> সৌদি আরবে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা প্রতিহত করার দাবি জোটের

>> ছাত্রদলের হাত ধরেই রাজনীতির হাতেখড়ি, বললেন আমজনতার তারেক

>> একরামুল হক হত্যা মামলা: শেখ হাসিনাসহ ১১ আসামির অভিযোগ গঠন শুনানি আজ

>> গাজীপুর বিআরটিএতে দুর্নীতির অভিযোগ, অবসরের আগে এডি নুরুল হোসেনকে ঘিরে বিতর্ক

>> বিদেশি মদসহ গ্রেপ্তার ছাত্রদল নেতা, সব পদ থেকে অব্যাহতি

>> চোরাই সিএনজি বাণিজ্যে বিপুল সম্পদের অভিযোগ, মগবাজারের নান্টুকে ঘিরে নানা প্রশ্ন

>> সরিষাবাড়ীতে গরু চুরিতে বাধা দেওয়ায় কৃষককে কুপিয়ে জখম, আহত আরও একজন

আপনি পড়ছেন : বিশ্ব

রাশিয়ার তেল কিনলে ভারতেও ১০০% পর্যন্ত শুল্কের ক্ষমতা, ট্রাম্পের অনুমোদনের অপেক্ষায় বিল


Rabeya ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, দুপুর ১২:৪৭



রাশিয়ার তেল কিনলে ভারতেও ১০০% পর্যন্ত শুল্কের ক্ষমতা, ট্রাম্পের অনুমোদনের অপেক্ষায় বিল


রাশিয়া ও ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরও কঠোর করার লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিল পাস হয়েছে। বুধবার ২৬২-১৫৯ ভোটে পাস হওয়া ‘লিন্ডসে ও. গ্রাহাম স্যাংশনিং রাশিয়া অ্যান্ড ইরান অ্যাক্ট অব ২০২৬’ এখন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।

বিলটি আইনে পরিণত হলে রাশিয়ার জ্বালানি কিনছে এমন দেশগুলোর ওপর সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপের ক্ষমতা ট্রাম্পের হাতে থাকবে। এর আওতায় ভারত ও চীনসহ রাশিয়ার জ্বালানির বড় ক্রেতা দেশগুলো পড়তে পারে। তবে বিলটি নিজে থেকেই ভারতের পণ্যে ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করছে না; নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে ট্রাম্প সেই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন।

এর আগে গত আগস্টে মার্কিন সিনেটে বিলটি ৮৬-১১ ভোটে পাস হয়েছিল। পরে প্রতিনিধি পরিষদেও এটি দ্বিদলীয় সমর্থন পায়। বিলটির নাম রাখা হয়েছে প্রয়াত সিনেটর লিন্ডসে ও. গ্রাহামের নামে।

বিলের আওতায় রাশিয়ার সরকারি কর্মকর্তা, দেশটির ধনকুবের, তাঁদের পরিবারের সদস্য এবং রুশ আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার বিধান রয়েছে। পাশাপাশি রাশিয়ার জ্বালানি খাত ও নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে তেল পরিবহনে ব্যবহৃত জাহাজগুলোর বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে।

আইনটির অন্যতম লক্ষ্য হলো রাশিয়ার জ্বালানি বিক্রি থেকে পাওয়া আয় কমিয়ে দেশটির অর্থনৈতিক সক্ষমতার ওপর চাপ তৈরি করা। যুক্তরাষ্ট্রের নীতিনির্ধারকেরা মনে করছেন, রাশিয়ার জ্বালানির ওপর নির্ভরশীল দেশগুলোর বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক চাপ বাড়ালে মস্কোর যুদ্ধের অর্থায়নে প্রভাব পড়তে পারে।

একই সঙ্গে ইরানের অস্ত্র ও জ্বালানি খাতে অর্থের প্রবাহ কমাতে নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রেসিডেন্টের ক্ষমতাও বাড়ানোর বিধান রাখা হয়েছে।

বিলটির শুল্কসংক্রান্ত ক্ষমতা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ডেমোক্র্যাটদের একাংশ আপত্তি জানিয়েছে। তাঁদের আশঙ্কা, এর মাধ্যমে প্রেসিডেন্টকে ব্যাপকভাবে শুল্ক আরোপের ক্ষমতা দেওয়া হচ্ছে। তবে এসব আপত্তি বিলটি পাস ঠেকাতে পারেনি।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসন আগে থেকেই বিলটির সমর্থন জানিয়েছে। হোয়াইট হাউসের নীতিগত অবস্থানে বলা হয়েছিল, রাশিয়ার ওপর চাপ বাড়াতে এবং ইউক্রেন যুদ্ধের একটি আলোচনাভিত্তিক সমাধানে উৎসাহ দিতে এই আইন প্রেসিডেন্টকে অতিরিক্ত হাতিয়ার দেবে।

বিলটি এখন ট্রাম্পের স্বাক্ষরের অপেক্ষায়। তিনি এতে সই করলে আইনটি কার্যকর হওয়ার পর রাশিয়ার জ্বালানি কেনা বড় ক্রেতা দেশগুলোর বিরুদ্ধে নতুন শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ তাঁর হাতে থাকবে। ভারতও সম্ভাব্যভাবে এর আওতায় পড়তে পারে, যদিও শুল্ক আরোপ করা হবে কি না এবং হলে কতটা হবে, তা প্রেসিডেন্টের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে।