মঙ্গলবার, অক্টোবর ২৭, ২০২৬
১২ কার্তিক ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগের ১৪ নেতাকর্মী ৩ দিনের রিমান্ডে

>> বাংলাদেশে ১ ট্রিলিয়ন ইয়েন বিনিয়োগ, ২ লাখ কর্মসংস্থানের আশা

>> মুক্তিযোদ্ধার দাফনে বাধা, জড়িতদের পরিণতি ভোগ করতে হবে: জাহেদ উর রহমান

>> সৌদি আরবে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা প্রতিহত করার দাবি জোটের

>> ছাত্রদলের হাত ধরেই রাজনীতির হাতেখড়ি, বললেন আমজনতার তারেক

>> একরামুল হক হত্যা মামলা: শেখ হাসিনাসহ ১১ আসামির অভিযোগ গঠন শুনানি আজ

>> গাজীপুর বিআরটিএতে দুর্নীতির অভিযোগ, অবসরের আগে এডি নুরুল হোসেনকে ঘিরে বিতর্ক

>> বিদেশি মদসহ গ্রেপ্তার ছাত্রদল নেতা, সব পদ থেকে অব্যাহতি

>> চোরাই সিএনজি বাণিজ্যে বিপুল সম্পদের অভিযোগ, মগবাজারের নান্টুকে ঘিরে নানা প্রশ্ন

>> সরিষাবাড়ীতে গরু চুরিতে বাধা দেওয়ায় কৃষককে কুপিয়ে জখম, আহত আরও একজন

আপনি পড়ছেন : বিশ্ব

দুই আসামির ডোপ টেস্ট হবে, হত্যাকাণ্ড ঘিরে প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর খুঁজবে পুলিশ


Rabeya ২৬ আগস্ট ২০২৬, দুপুর ১:০৯



দুই আসামির ডোপ টেস্ট হবে, হত্যাকাণ্ড ঘিরে প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর খুঁজবে পুলিশ


রংপুরে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী ও দুই সন্তানের হত্যাকাণ্ডের তদন্তে নতুন তথ্য সামনে এসেছে। গ্রেপ্তার দুই আসামি সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসের বন্ধু সীমান্ত দাস আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য দুই আসামির দেওয়া স্বীকারোক্তির সঙ্গে মিলেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

মঙ্গলবার রাতে রংপুরের চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচারক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলামের কাছে সীমান্ত তাঁর জবানবন্দি দেন। তদন্ত কর্মকর্তা রংপুর মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখার পরিদর্শক জিন্নাত আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ জানায়, তদন্তের স্বার্থে সাক্ষী হিসেবে সীমান্তের জবানবন্দি নেওয়ার আবেদন করা হয়েছিল। আদালতে দেওয়া বক্তব্যে তিনি জানান, হত্যাকাণ্ডের রাতে সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধ তাঁর বাসায় গিয়ে মাদক সেবন করেছিলেন। পুলিশ বলছে, দুই আসামির দেওয়া বক্তব্যেও একই তথ্য পাওয়া গেছে।

এর আগে দুই আসামিকে গ্রেপ্তারের পর সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ জানিয়েছিল, ঘটনার রাতে সীমান্তের বাড়িতে সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধ মাদক সেবন করেছিলেন।

হবে ডোপ টেস্ট

দুই আসামি মাদকাসক্ত ছিলেন কি না, তা নিশ্চিত করতে ডোপ টেস্টের উদ্যোগ নিয়েছে পুলিশ। তদন্ত কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় অনুমতি পাওয়া গেছে এবং আনুষ্ঠানিক আবেদনও করা হয়েছে। বুধবার তাঁদের ডোপ টেস্টের জন্য পাঠানোর কথা রয়েছে।

সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজবে পুলিশ

হত্যাকাণ্ডকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও স্থানীয় মানুষের মধ্যে নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। এসব প্রশ্নের বিষয়ে তদন্ত কর্মকর্তা জিন্নাত আলী জানিয়েছেন, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বের করার চেষ্টা করা হবে। একই সঙ্গে মামলায় ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি।

গণপতি চক্রবর্তীর বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী রংপুর কোতোয়ালি থানায় বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেন। শুরুতে মামলাটির তদন্ত করছিল কোতোয়ালি থানার পুলিশ। পরে তদন্তভার রংপুর মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখায় হস্তান্তর করা হয়।

গত শনিবার রাতে রংপুর নগরের কামাল কাছনা এলাকার মাছুয়াপাড়ার একটি বাড়ি থেকে গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী, মেয়ে আগামী চক্রবর্তী ও ছেলে আয়ুশ চক্রবর্তীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ প্রাথমিকভাবে জানিয়েছে, চারজনকেই শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে।

মামলাটির তদন্ত এখন ডিবির অধীনে চলছে। তদন্তের অগ্রগতির সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের কারণ ও ঘটনার বিস্তারিত তথ্য আরও পরিষ্কার হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।