রবিবার, অক্টোবর ৪, ২০২৬
১৯ আশ্বিন ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> রেমিট্যান্সের বড় উৎস মধ্যপ্রাচ্য, তবু আরবি ভাষা প্রশিক্ষণে অবহেলা কেন?

>> এলপিজির দাম এক লাফে বাড়ল ২৫২ টাকা, ১২ কেজির সিলিন্ডার ১,৮৩৭ টাকা

>> আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রীসেবার এই হাল কেন?

>> সাতক্ষীরায় মাদক ব্যবসার অভিযোগে দুই বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর, আটক ২

>> ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণে মেয়রপ্রার্থী হিসেবে সেলিম উদ্দিন ও সাদিক কায়েমের নাম জানাল জামায়াত

>> ডাববোঝাই নছিমন অতিক্রম করতে গিয়ে সংঘর্ষ, প্রাণ গেল তিন মোটরসাইকেল আরোহীর

>> একাধিক দেশের নেতার সঙ্গে ট্রাম্পের ছবি প্রায় একই রকম কেন?

>> চট্টগ্রাম বন্দরের ৯ কনটেইনারে বিপজ্জনক রাসায়নিক, ধ্বংস হবে রূপগঞ্জে

>> গাজীপুরে সোয়েটার কারখানায় আগুন, নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ৯ ইউনিট

>> শেখ হাসিনাকে ফেরানোর আইনি প্রক্রিয়া চলছে: দীনেশ ত্রিবেদী

আপনি পড়ছেন : রাজনীতি

রংপুর অভিমুখে লংমার্চে পাঁচ জেলায় পথসভা করবে ১১ দলীয় ঐক্য


১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বিকাল ৩:২৯



রংপুর অভিমুখে লংমার্চে পাঁচ জেলায় পথসভা করবে ১১ দলীয় ঐক্য


সাত দফা দাবিতে রংপুর অভিমুখে লংমার্চের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় রাজনৈতিক ঐক্য। আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর ঢাকার মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ থেকে এই লংমার্চ শুরু হয়ে রংপুরে গিয়ে শেষ হবে।

কর্মসূচির শুরুতে সকাল ৭টায় মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে উদ্বোধনী সভা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর লংমার্চের বহর রংপুরের উদ্দেশে যাত্রা করবে। পথে গাজীপুর, টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া ও গাইবান্ধায় পাঁচটি পথসভা আয়োজনের কথা জানিয়েছে জোটটি। রংপুর জিলা স্কুলে হবে সমাপনী সমাবেশ।

রোববার রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে ১১ দলীয় ঐক্যের লিয়াজোঁ কমিটির জরুরি প্রস্তুতি সভা শেষে এসব তথ্য জানান জোটের সমন্বয়ক ও জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ।

জোটের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গাজীপুরের ভোগরাপাড়া, টাঙ্গাইলের নগর জালফৈ, সিরাজগঞ্জ চৌরাস্তা, বগুড়ার চারমাথা এবং গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে পথসভা হবে।

হামিদুর রহমান আযাদ জানান, এর আগে ঘোষিত ছয় দফার সঙ্গে নতুন করে দুর্নীতি, দখলবাজি ও চাঁদাবাজি বন্ধের দাবি যুক্ত হয়েছে। ফলে জোটের দাবির সংখ্যা এখন সাতটি।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, সংসদে ১১ দলীয় ঐক্যের সংসদ সদস্যরা জনস্বার্থ, জনগণের অধিকার, আইনশৃঙ্খলা ও জাতীয় নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলছেন। একই সঙ্গে অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলা এবং রাজনৈতিক সংস্কারের ক্ষেত্রেও বিরোধী দল ভূমিকা রাখছে বলে দাবি করেন তিনি।

জ্বালানি সংকট প্রসঙ্গে আযাদ বলেন, তেল ও গ্যাসের সমস্যা সমাধানে সরকারকে বিভিন্ন প্রস্তাব দেওয়া হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে তাদের অভিযোগ। বিরোধীদলীয় নেতার পক্ষ থেকে সরকার ও বিরোধী দলের প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি কমিটি গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল বলেও জানান তিনি। ওই কমিটির মাধ্যমে সংকট মোকাবিলায় বিরোধী দলের পক্ষ থেকে ১০টি প্রস্তাব দেওয়া হলেও সেগুলো গুরুত্ব পায়নি বলে দাবি করেন তিনি।

জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি নিয়েও সরকারের সমালোচনা করেন জামায়াতের এই নেতা। তাঁর ভাষ্য, গ্যাস সংকটের কারণে শিল্পকারখানা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং তৈরি পোশাক খাতের অর্ডার অন্য দেশে চলে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে সার সংকট নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, পরিস্থিতির উন্নতি না হলে দেশের খাদ্য নিরাপত্তায় প্রভাব পড়তে পারে।

দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন আযাদ। তিনি গুম, হত্যাকাণ্ডসহ বিভিন্ন অপরাধের কথা উল্লেখ করে পরিস্থিতির উন্নয়নে সরকারকে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান। এসব বিষয়ে সংসদে আলোচনা করার পাশাপাশি রাজপথেও বিরোধী দল কর্মসূচি পালন করছে বলে জানান তিনি।

অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সংকট মোকাবিলায় জাতীয় ঐকমত্য প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন ১১ দলীয় ঐক্যের এই সমন্বয়ক। তাঁর অভিযোগ, বিরোধী দলের দেওয়া বিভিন্ন প্রস্তাব সরকার যথাযথভাবে বিবেচনা করছে না।

প্রস্তুতি সভা ও সংবাদ ব্রিফিংয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব তোফাজ্জল হোসেন মিয়াজী, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) মুখপাত্র রাশেদ প্রধানসহ ১১ দলীয় ঐক্যের বিভিন্ন দলের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।