রবিবার, অক্টোবর ২৫, ২০২৬
১০ কার্তিক ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> ব্রাসেলসে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ, আটক ৯

>> ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে পুলিশের ওপর হামলা, গোপালগঞ্জে আহত ২

>> সৌদি আরবের বিরুদ্ধে প্রচারযুদ্ধে এপস্টিনের নথি ব্যবহার করছে হুতিরা

>> রাঙামাটি বন বিভাগে বদলি ও ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ, তদন্তের দাবি

>> ইজতেমা মাঠে সাদপন্থিদের ইজতেমা আয়োজন বন্ধের দাবি শুরায়ি নেজামের

>> মাদ্রাসায় যৌন নির্যাতন রোধে কঠোর পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি ধর্মমন্ত্রীর

>> এনসিপির নতুন কমিটিতে আলেমের সংখ্যা কমায় ক্ষুব্ধ আশরাফ মাহদি

>> মা ইলিশ রক্ষার অভিযানে বৈঠা দিয়ে হামলা, পুলিশসহ আহত ২

>> পিএসসি সদস্যদের চায়ের দাওয়াত দিয়ে পদত্যাগে বাধ্য করার অভিযোগ আযাদের

>> বরগুনার বামনায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল, গ্রেপ্তার ১

আপনি পড়ছেন : রাজনীতি

বিপুল ভোটে সাদিক কায়েম ডাকসুর ভিপি নির্বাচিত


খায়রুন নাহার ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫, দুপুর ১:৪৬
বিপুল ভোটে সাদিক কায়েম ডাকসুর ভিপি নির্বাচিত
ছবি:সংগৃহীত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে বিপুল ভোটে জয় পেয়েছেন শিবির সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোটের প্রার্থী আবু সাদিক কায়েম।

বুধবার সকালে সব কেন্দ্রের চূড়ান্ত ফলাফল বিশ্লেষণ করে এই তথ্য পাওয়া গেছে। তবে ভোটগ্রহণের প্রায় ১৫ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করা হয়নি। 

ঘোষিত ফলাফলে দেখা গেছে, সাদিক কায়েম পেয়েছেন ১৪ হাজার ৪২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদলের প্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান পেয়েছেন ৫ হাজার ৬৫৮ ভোট।

ভিপি পদে তৃতীয় সর্বোচ্চ ২ হাজার ৫৪৯ ভোট পেয়েছেন স্বতন্ত্র জোটের প্রার্থী উমামা ফাতেমা। স্বতন্ত্র প্রার্থী শামীম হোসেন পেয়েছেন ২ হাজার ৩৮৫ ভোট।

বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থী সংসদ প্যানেলের প্রার্থী আব্দুল কাদের ৬৬৮ এবং প্রতিরোধ পর্ষদের প্রার্থী শেখ তাসনিম আফরোজ ইমি পেয়েছেন ১১ ভোট।

সাদিক কায়েম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি এবং বর্তমান কেন্দ্রীয় কমিটির প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক।

ডাকসুতে ২৮টি পদের জন্য মোট ৪৭১ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামেন। প্রতি হল সংসদে ১৩টি করে ১৮টি হলে মোট পদের সংখ্যা ২৩৪টি। এসব পদে ভোটের লড়াইয়ে নামেন ১ হাজার ৩৫ জন। অর্থাৎ সব মিলিয়ে এবার ভোটারদের ৪১টি ভোট দিতে হয়েছে।

এবারের ডাকসু ভোটে আংশিক ও পূর্ণাঙ্গ মিলিয়ে অন্তত ১০টি প্যানেল অংশ নিয়েছে। এর বাইরে স্বতন্ত্র হিসেবে লড়ছেন প্রার্থীদের আরেকটি অংশ।

মঙ্গলবার দিনভর কোনো ধরনের সংঘাত সংঘর্ষ ছাড়াই ভোটগ্রহণ হলেও প্রার্থীদের অনেকে একে অপরের বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনসহ নানা অভিযোগ তুলেছেন। এমনকি ভোটে কারচুপির অভিযোগ ভোটের ফলাফল প্রত্যাখ্যান করেছেন ছাত্রদলসহ কয়েকজন প্রার্থী।