বুধবার, অক্টোবর ২৮, ২০২৬
১৩ কার্তিক ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগের ১৪ নেতাকর্মী ৩ দিনের রিমান্ডে

>> বাংলাদেশে ১ ট্রিলিয়ন ইয়েন বিনিয়োগ, ২ লাখ কর্মসংস্থানের আশা

>> মুক্তিযোদ্ধার দাফনে বাধা, জড়িতদের পরিণতি ভোগ করতে হবে: জাহেদ উর রহমান

>> সৌদি আরবে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা প্রতিহত করার দাবি জোটের

>> ছাত্রদলের হাত ধরেই রাজনীতির হাতেখড়ি, বললেন আমজনতার তারেক

>> একরামুল হক হত্যা মামলা: শেখ হাসিনাসহ ১১ আসামির অভিযোগ গঠন শুনানি আজ

>> গাজীপুর বিআরটিএতে দুর্নীতির অভিযোগ, অবসরের আগে এডি নুরুল হোসেনকে ঘিরে বিতর্ক

>> বিদেশি মদসহ গ্রেপ্তার ছাত্রদল নেতা, সব পদ থেকে অব্যাহতি

>> চোরাই সিএনজি বাণিজ্যে বিপুল সম্পদের অভিযোগ, মগবাজারের নান্টুকে ঘিরে নানা প্রশ্ন

>> সরিষাবাড়ীতে গরু চুরিতে বাধা দেওয়ায় কৃষককে কুপিয়ে জখম, আহত আরও একজন

আপনি পড়ছেন : রাজনীতি

শাপলা চত্বরে নিহতদের প্রাথমিক তালিকা প্রকাশ করল হেফাজতে ইসলাম


স্টাফ রিপোর্টার
শাপলা চত্বরে নিহতদের প্রাথমিক তালিকা প্রকাশ করল হেফাজতে ইসলাম
ছবি:সংগৃহীত

২০১৩ সালের ৫ মে রাজধানীর শাপলা চত্বরে অনুষ্ঠিত হেফাজতে ইসলামের মহাসমাবেশে নিহতদের মধ্যে ৯৩ জনের নাম ও পরিচয় প্রকাশ করেছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। তালিকাটি প্রাথমিক খসড়া এবং এ সংখ্যা যাচাই-বাছাইয়ের পর আরও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।

রবিবার (৪ মে) হেফাজতের জনসংযোগ বিভাগের দায়িত্বশীল মুফতি কেফায়েতুল্লাহ আজহারী এই তথ্য জানিয়েছেন।

 কেফায়েতুল্লাহ জানান, এটি একটি প্রাথমিক খসড়া তালিকা এবং যাচাই-বাছাই শেষে এ সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। তালিকা চূড়ান্ত করতে কিছুটা সময় লাগবে বলেও জানান তিনি।

দেশ-বিদেশে আলোড়ন সৃষ্টি করা ওই ঘটনার পর হেফাজতে ইসলাম দাবি করেছিল তাদের শত শত নেতাকর্মী নিহত হয়েছেন। তবে তারা কোনো তালিকা পেশ করতে পারেনি। এটা নিয়ে হেফাজতের ভেতরেও অনেকের ক্ষোভ ছিল।

মানবাধিকার সংস্থা ‘অধিকার’ ঘটনার পরপর হেফাজতের কর্মসূচি ঘিরে ৬১ জন নিহতের তথ্য জানিয়েছিল। তবে আওয়ামী লীগ সরকারের পক্ষ থেকে বারবার দাবি করা হচ্ছিল শাপলা চত্বরের অভিযানে কেউ মারা যায়নি। যদিও তাদের এই বক্তব্য কেউই বিশ্বাস করেনি।

প্রসঙ্গত, ব্লগারদের বিরুদ্ধে ইসলাম ধর্ম অবমাননা ও নারীনীতির বিরোধিতাসহ ১৩ দফা দাবি তুলে ২০১৩ সালের ৫ মে ঢাকার শাপলা চত্বরে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করে হেফাজতে ইসলাম। এতে হাজার হাজার কওমি আলেম শিক্ষার্থী এবং সাধারণ মুসলমান মহাসমাবেশে অংশ নেন।

সেদিন রাত গভীর হওয়ার পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযান চালিয়ে সরিয়ে দেয় তাদের। অভিযানে ব্যাপক গুলি, সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ারশেল ছোড়া হয়। হেফাজতে ইসলামের দাবি, ওইদিন অসংখ্য মানুষ নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে ৯৩ জনের নাম প্রকাশ করা হয়েছে এবার।

প্রকাশিত প্রাথমিক তালিকায় নিহতদের নাম, ঠিকানা ও পরিবারের সদস্যদের তথ্য অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এতে দেখা গেছে, নিহতদের অধিকাংশই যুবক ছিলেন।

হেফাজতে ইসলামের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তারা এই ঘটনার জন্য তৎকালীন সরকার প্রধান শেখ হাসিনাকে দায়ী করে এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছে ।