রবিবার, অক্টোবর ২৫, ২০২৬
১০ কার্তিক ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> ব্রাসেলসে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ, আটক ৯

>> ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে পুলিশের ওপর হামলা, গোপালগঞ্জে আহত ২

>> সৌদি আরবের বিরুদ্ধে প্রচারযুদ্ধে এপস্টিনের নথি ব্যবহার করছে হুতিরা

>> রাঙামাটি বন বিভাগে বদলি ও ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ, তদন্তের দাবি

>> ইজতেমা মাঠে সাদপন্থিদের ইজতেমা আয়োজন বন্ধের দাবি শুরায়ি নেজামের

>> মাদ্রাসায় যৌন নির্যাতন রোধে কঠোর পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি ধর্মমন্ত্রীর

>> এনসিপির নতুন কমিটিতে আলেমের সংখ্যা কমায় ক্ষুব্ধ আশরাফ মাহদি

>> মা ইলিশ রক্ষার অভিযানে বৈঠা দিয়ে হামলা, পুলিশসহ আহত ২

>> পিএসসি সদস্যদের চায়ের দাওয়াত দিয়ে পদত্যাগে বাধ্য করার অভিযোগ আযাদের

>> বরগুনার বামনায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল, গ্রেপ্তার ১

আপনি পড়ছেন : জাতীয়

আমরা চেয়েছি আলোচনায় সমাধান, সরকার সে পথে হাঁটেনি: হামিদুর রহমান


ডেস্ক রিপোর্ট ১১ নভেম্বর ২০২৫, বিকাল ৪:০০
আমরা চেয়েছি আলোচনায় সমাধান, সরকার সে পথে হাঁটেনি: হামিদুর রহমান
ছবি:সংগৃহীত

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ বলেছেন, আমরা চাই না সংঘাত হোক। আলোচনার মাধ্যমেই সংকটের সমাধান হোক, এটাই ছিল আমাদের অবস্থান। কিন্তু সরকার সে পথে হাঁটেনি। বিশেষ বিশেষ রাজনৈতিক দলের চাপে জনতার আকাঙ্ক্ষাকে স্থবির করে দিয়েছে, যা সরাসরি জনমতের বিপরীত।

মঙ্গলবার রাজধানীর পল্টন মোড়ে আয়োজিত আট ইসলামী দলের সমাবেশে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ ও গণভোটসহ পাঁচ দফা দাবিতে চার মাসব্যাপী যে আন্দোলন চলছে, সেটি এখন অবশ্যম্ভাবী হয়ে ওঠা জনআকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন। আজকের পল্টনের ‘ঐতিহাসিক সমাবেশ’ সেই আন্দোলনের পঞ্চম পর্ব।

তিনি আরও বলেন, গণভোট ও আরও তিন দফা দাবিতে আট দলের আন্দোলন শুধু রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়, বরং জনগণের ইচ্ছা ও ক্ষোভের প্রকাশ। গত চার মাসে আমরা চার পর্বের আন্দোলন করেছি। আজ চলছে পঞ্চম পর্ব। এটা আর সাধারণ সমাবেশ নয়, একটি ঐতিহাসিক ঘোষণা।

আযাদ বলেন, সরকারের প্রতি শান্তিপূর্ণ সমাধানের সুযোগ বহুবার দেওয়া হলেও তা উপেক্ষিত হয়েছে। বলেন, জনতার আকাঙ্ক্ষাকে কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। তাই গণভোট এখন শুধু রাজনৈতিক দাবি নয়, বরং অবধারিত একটি জাতীয় সিদ্ধান্তের পথ।

এর আগে দুপুর ২টায় সমাবেশ শুরুর কথা থাকলেও ১২টার পরপরই ঢল নামে নেতাকর্মীদের। দেড়টার দিকেই বন্ধ হয়ে যায় পল্টনের সব সড়ক।