সোমবার, অক্টোবর ২৬, ২০২৬
১১ কার্তিক ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> বিদেশি মদসহ গ্রেপ্তার ছাত্রদল নেতা, সব পদ থেকে অব্যাহতি

>> চোরাই সিএনজি বাণিজ্যে বিপুল সম্পদের অভিযোগ, মগবাজারের নান্টুকে ঘিরে নানা প্রশ্ন

>> সরিষাবাড়ীতে গরু চুরিতে বাধা দেওয়ায় কৃষককে কুপিয়ে জখম, আহত আরও একজন

>> আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে তেহরানে বৈঠকে বসছেন সৌদি, তুরস্ক ও পাকিস্তানের শীর্ষ কর্মকর্তারা

>> বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কা, তিন বিভাগে বৃষ্টির পূর্বাভাস

>> বিআরটিসির ঢাকা ট্রাক ডিপোতে অর্থ লোপাটের অভিযোগ, মোশারফকে ঘিরে প্রশ্ন

>> প্রেমের ফাঁদে ফেলে ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগ, হানিট্র্যাপ চক্রের ৫ সদস্য গ্রেপ্তার

>> সৌদি আরবে এক সপ্তাহে প্রায় ১৪ হাজার গ্রেপ্তার

>> আসিফ আকবরের গাড়িতে গুলি, মামলা হলেও শনাক্ত হয়নি হামলাকারী

>> আনিসুল হকের বিরুদ্ধে দুর্নীতি মামলার চার্জশিট গ্রহণ, তিন আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

আপনি পড়ছেন : জাতীয়

কাকরাইল থেকে শহীদ মিনারে চাকরিচ্যুত বিডিআর সদস্যরা


Desk Report ৭ জুলাই ২০২৫, বিকাল ৩:১১
কাকরাইল থেকে শহীদ মিনারে চাকরিচ্যুত বিডিআর সদস্যরা
ছবি:সংগৃহীত

তিন দফা দাবিতে যমুনার অভিমুখে পদযাত্রার সময় পুলিশি বাধা, টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেডের মুখে ছত্রভঙ্গ হয়ে অবশেষে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অবস্থান নিয়েছেন চাকরিচ্যুত বিডিআর সদস্যরা।

সোমবার সকাল থেকে রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছিলেন তারা। এরপর দুপুরের দিকে কাকরাইল মসজিদের সামনে এসে জড়ো হন। সেখান থেকে তারা প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনের দিকে যাওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

পুলিশ আন্দোলনকারীদের বারবার সরে যেতে বললেও তারা সাড়া না দেওয়ায় দুপুর ১২টার দিকে পুলিশ জলকামান থেকে পানি ছোড়ে এবং একাধিক সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। এতে পুলিশ ও আন্দোলনকারীদের উভয় পক্ষের কয়েকজন আহত হন। আন্দোলনকারীদের মধ্যে বেশ কয়েকজনকে ঘটনাস্থল থেকে আটকও করা হয়। পরে পুলিশ ধীরে ধীরে আন্দোলনকারীদের কাকরাইল থেকে সরিয়ে মৎস্যভবনের দিকে ঠেলে দেয়।


এই অবস্থায় তারা কাকরাইল এলাকা ত্যাগ করে বিভিন্ন পথে বিভক্ত হয়ে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গিয়ে জড়ো হন এবং সেখানে নতুন করে অবস্থান নেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শাহবাগ থানার অফিসার ইনচার্জ খালিদ মনসুর। তিনি বলেন, সকালে তারা জাদুঘরের সামনে ছিল, পরে কাকরাইল হয়ে এখন শহীদ মিনারে অবস্থান করছে।

এ ঘটনার আগে রমনা বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মাসুদ আলম আন্দোলনকারীদের একজন প্রতিনিধিকে যমুনায় পাঠানোর প্রস্তাব দেন এবং বাকি সবাইকে সরে যেতে ১০ মিনিট সময় দেন। কিন্তু আন্দোলনকারীরা তাতে রাজি না হয়ে অবস্থান চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিলে পুলিশ বল প্রয়োগ শুরু করে।


চাকরিচ্যুত বিডিআর সদস্যরা দাবি করেছেন, তারা দীর্ঘদিন ধরে অবিচারের শিকার হয়ে আসছেন। ২০০৯ সালের পিলখানা হত্যাকাণ্ডের ঘটনার পর অনেকেই চাকরি হারিয়েছেন এবং পরিবার-পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।