মঙ্গলবার, অক্টোবর ৬, ২০২৬
২১ আশ্বিন ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> হরমুজ প্রণালিতে ইরানকে কি গোপনে ‘টোল’ দিচ্ছে উপসাগরীয় দেশগুলো?

>> সাংবাদিকদের দাবির মুখে হল প্রাধ্যক্ষ অব্যাহতি, দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা

>> ‘ঘুষ খাওয়ার জন্যই পোশাক পরেছি’—এএসআইয়ের বক্তব্যের ভিডিও ভাইরাল

>> ‘না পারলে বলে দিন, আমরা পারছি না’—সরকারকে গোলাম পরওয়ার

>> শেখ হাসিনাকে ফেরাতে সেনাবাহিনীতে প্রস্তুতি

>> কুষ্টিয়ায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলার অভিযোগ, বিএনপিকে দায়ী করলেন নাহিদ ইসলাম

>> রেমিট্যান্সের বড় উৎস মধ্যপ্রাচ্য, তবু আরবি ভাষা প্রশিক্ষণে অবহেলা কেন?

>> এলপিজির দাম এক লাফে বাড়ল ২৫২ টাকা, ১২ কেজির সিলিন্ডার ১,৮৩৭ টাকা

>> আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রীসেবার এই হাল কেন?

>> সাতক্ষীরায় মাদক ব্যবসার অভিযোগে দুই বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর, আটক ২

আপনি পড়ছেন : জাতীয়

মাদ্রাসায় প্রযুক্তি শিক্ষায় কাতারের সহায়তা চাইলেন ড. ইউনূস


খায়রুন নাহার
 মাদ্রাসায় প্রযুক্তি শিক্ষায় কাতারের সহায়তা চাইলেন ড. ইউনূস
ছবি:সংগৃহীত

বাংলাদেশের মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের জন্য প্রযুক্তিগত শিক্ষা চালু করতে কাতার চ্যারিটির সহায়তা চেয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা-অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।

কাতারের রাজধানী দোহায় মঙ্গলবার আর্থনা শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে কাতার চ্যারিটির ভারপ্রাপ্ত প্রধান নওয়াফ আবদুল্লাহ আল হাম্মাদির সঙ্গে বৈঠকে এ আহ্বান জানান প্রধান উপদেষ্টা।

এ সময় অধ্যাপক ইউনূস বাংলাদেশিদের জন্য কাতারের সংস্থাটির চলমান মানবিক প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন। এর মধ্যে রয়েছে এতিমদের জন্য স্পনসরশিপ প্রোগ্রাম ও রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য এলপিজি বিতরণ।

প্রধান উপদেষ্টা কম্পিউটার প্রোগ্রামিং, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসহ অন্যান্য প্রযুক্তিভিত্তিক দক্ষতার মতো উদীয়মান প্রযুক্তি শেখার জন্য মাদ্রাসাশিক্ষার্থীদের আগ্রহের ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, ‘মাদ্রাসাশিক্ষার্থীদের জন্য যেকোনো সহায়তাকে আমরা স্বাগত জানাব।’

অধ্যাপক ইউনূস আরও বলেন, কাতার চ্যারিটি বাংলাদেশি মাদ্রাসাগুলোর সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত হতে পারে। মাদ্রাসাশিক্ষার্থীদের পাঠ্যক্রমে প্রযুক্তিবিষয়ক পাঠ যুক্ত করার প্রচেষ্টায় তারা সহায়তা করতে পারে।

কাতার চ্যারিটির প্রধান উল্লেখ করেন, তাঁরা ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি মাদ্রাসাকে দক্ষতা উন্নয়ন ও জীবিকা নির্বাহের কর্মসূচিতে সহায়তা করেছে। তিনি আশ্বাস দেন, প্রস্তাবটি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করা হবে।

আলোচনায় কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।